মৌলভীবাজারের বড়লেখায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় দৈনিক যুগান্তরের
প্রতিনিধি আব্দুর রবের বাড়ি আগুন লেগে পুড়ে গেছে। তবে এটি প্রতিহিংসাবশত
কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সূত্র জানায়, দক্ষিণভাগে সংঘর্ষের ঘটনা শেষ না
হতেই দৈনিক যুগান্তর ও জালালাবাদ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি আব্দুর রবের
দক্ষিণভাগস্থ বাড়িতে রাত সাড়ে ৮টায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। বাড়িঘর পুড়ে অন্যান্য
মালামালসহ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১২ লাখ টাকা। তবে এটি প্রতিহিংসাবশত কিনা তা
নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অনেকে আবার বলছেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন
লাগতেপারে। খবর পেয়ে স্থানীয় দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন
নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ব্যাপারে বড়লেখা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আজিজুল
হক জানান, এখনো কিছু বলা যাচ্ছে না। বাড়ির মালামালপুড়ে প্রায় ১২ লাখ টাকার
ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
Thursday, February 28, 2013
বড়লেখায় পুলিশের গুলিতে নিহত ২ : ৩ গুলিবিদ্ধসহ আহত ৪০ : ২০রাউণ্ড গুলি বর্ষণ : র্যাব-বিজিবি মোতায়েন.....
মৌলভীবাজারের
বড়লেখায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পিকেটাররা শহরসহ বাইরের বিভিন্ন স্পটে
ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
শহরে পুলিশের কঠোর অবস্থানেরকারণে মাঠে নামতে পারেনি জামায়াত-শিবিরের কেউ।
উপজেলার কাঁঠালতলী এলাকায় পুলিশের গুলিতে ২ জন নিহত এবং৩ জন গুলিবিদ্ধসহ
৪০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২০
রাউণ্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীসহ থানা পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার কাঁঠালতলী, দক্ষিণভাগ ও সুজানগর ইউনিয়নের তাওহিদী জনতা ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা দুপুর থেকে দক্ষিণভাগ বাজার, কাঁঠালতলী বাজারে লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় গাছ ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। এ সময় বিভিন্ন দোকানপাট ভাংচুর এবং স্থানীয়একটি সমিলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে দক্ষিণভাগ থেকে মিছিল সহকারে বড়লেখা আসার পথে কাঁঠালতলী নিখড়ীছড়া ব্রীজের পাশে বিকেল আনুমানিক৫টায় পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ঘটে। এ সময় পুলিশের গুলিতে পূর্ব গাংকুলগ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে লোকমান নামের ১৪ বছরের ১কিশোর নিহত হয়েছে। সে স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতো বলে জানা গেছে। এছাড়া হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছে দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের দোহালিয়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে শিবির কর্মী আব্দুর রহমান (২০)। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন রিপন মিয়া, নইম উদ্দিন ও অজ্ঞাত একজনসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে সুজানগরের বড়থল গ্রামের আখই মিয়ার পুত্র রিপন মিয়া মারাত্মক আহত হয়েছেন। তার অবস্থা সংকাপন্ন। আহতদের জুড়ী, কুলাউড়াসহ জেলার বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ এ পর্যন্ত ২০ রাউণ্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছে। পুরো উপজেলায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছেন। থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। র্যাব, বিজিবিসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে আহতের সংখ্যা জানা গেলেও নিহতের ব্যাপারে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীসহ থানা পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার কাঁঠালতলী, দক্ষিণভাগ ও সুজানগর ইউনিয়নের তাওহিদী জনতা ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা দুপুর থেকে দক্ষিণভাগ বাজার, কাঁঠালতলী বাজারে লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় গাছ ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। এ সময় বিভিন্ন দোকানপাট ভাংচুর এবং স্থানীয়একটি সমিলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে দক্ষিণভাগ থেকে মিছিল সহকারে বড়লেখা আসার পথে কাঁঠালতলী নিখড়ীছড়া ব্রীজের পাশে বিকেল আনুমানিক৫টায় পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ঘটে। এ সময় পুলিশের গুলিতে পূর্ব গাংকুলগ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে লোকমান নামের ১৪ বছরের ১কিশোর নিহত হয়েছে। সে স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতো বলে জানা গেছে। এছাড়া হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছে দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের দোহালিয়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে শিবির কর্মী আব্দুর রহমান (২০)। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন রিপন মিয়া, নইম উদ্দিন ও অজ্ঞাত একজনসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে সুজানগরের বড়থল গ্রামের আখই মিয়ার পুত্র রিপন মিয়া মারাত্মক আহত হয়েছেন। তার অবস্থা সংকাপন্ন। আহতদের জুড়ী, কুলাউড়াসহ জেলার বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ এ পর্যন্ত ২০ রাউণ্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছে। পুরো উপজেলায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছেন। থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। র্যাব, বিজিবিসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে আহতের সংখ্যা জানা গেলেও নিহতের ব্যাপারে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
সাঈদীর রায়ের বিরুদ্ধেআপিল করা হবে........
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডাদেশ
পাওয়া জামাত নেতা সাঈদীর রায়ের বিরুদ্ধেআপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন তার
আইনজীবীআবদুর রাজ্জাক। তার ধানমন্ডির বাসাভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে
আপিল করার কথা বলেন তিনি।
এদিকে, কোনো তৃতীয় পক্ষকে খুশি করার জন্য এ রায় ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী।
বৃহস্পতিবার মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘এ রায়ে আমরা সংক্ষুব্ধ। আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো। আশা করছি আপিলে আমরা সুবিচার পাব।
সাঈদীর বিরুদ্ধে রায় ফাঁসির রায়কে ‘ন্যায়ভ্রষ্ট’ মন্তব্য করে রাজ্জাক বলেন, ‘রায়টি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিচারে মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায় শুনে আমরা স্তম্ভিত ও বিস্মিত হয়েছি। তার বেকসুর খালাস পাওয়ার কথা। কারণ সন্দেহাতীতভাবে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাজ্জাকদাবি করেন, শাহবাগ আন্দোলনের চাপের মুখে এ রায় দেয়া হয়েছে কি না,তা বিচারকই ভালো বলতে পারবেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আজ (বৃহস্পতিবার) সাঈদীকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
সাঈদীর বিরুদ্ধে থাকা ২০টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। প্রমাণিত এই আটটি অভিযোগ হলো: ৬, ৭, ৮, ১০, ১১, ১৪, ১৬, ১৯ নম্বর অভিযোগ। এর মধ্যে ৮ ও ১০ নম্বর অভিযোগে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল-১।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী ‘শান্তি কমিটি’ ও রাজাকার বাহিনীর সদস্য বর্তমান জামাত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীওরফে দেলুর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল-১।
এদিকে, কোনো তৃতীয় পক্ষকে খুশি করার জন্য এ রায় ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী।
বৃহস্পতিবার মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘এ রায়ে আমরা সংক্ষুব্ধ। আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো। আশা করছি আপিলে আমরা সুবিচার পাব।
সাঈদীর বিরুদ্ধে রায় ফাঁসির রায়কে ‘ন্যায়ভ্রষ্ট’ মন্তব্য করে রাজ্জাক বলেন, ‘রায়টি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিচারে মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায় শুনে আমরা স্তম্ভিত ও বিস্মিত হয়েছি। তার বেকসুর খালাস পাওয়ার কথা। কারণ সন্দেহাতীতভাবে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাজ্জাকদাবি করেন, শাহবাগ আন্দোলনের চাপের মুখে এ রায় দেয়া হয়েছে কি না,তা বিচারকই ভালো বলতে পারবেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আজ (বৃহস্পতিবার) সাঈদীকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
সাঈদীর বিরুদ্ধে থাকা ২০টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। প্রমাণিত এই আটটি অভিযোগ হলো: ৬, ৭, ৮, ১০, ১১, ১৪, ১৬, ১৯ নম্বর অভিযোগ। এর মধ্যে ৮ ও ১০ নম্বর অভিযোগে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল-১।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী ‘শান্তি কমিটি’ ও রাজাকার বাহিনীর সদস্য বর্তমান জামাত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীওরফে দেলুর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল-১।
বড়লেখায় জামায়াত-পুলিশসংঘর্ষ: ৩০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ : নিহত ১ :আহত ১০..........
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পিকেটাররা শহরসহ বাইরের
বিভিন্ন স্পটে ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
শহরে পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে মাঠে
নামতে পারেনি জামায়াত-শিবিরের কেউ। উপজেলার কাঁঠালতলী এলাকায় পুলিশের
গুলিতে ১ জন নিহত ও ২ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
আনতে পুলিশ ৩০ রাউণ্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীসহ থানা পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার কাঁঠালতলী, দক্ষিণভাগ ও সুজানগর ইউনিয়নের তাওহিদী জনতা ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা দুপুর থেকে দক্ষিণভাগ বাজার, কাঁঠালতলী বাজারে লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় গাছ ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। দক্ষিণভাগ থেকে মিছিল সহকারে বড়লেখা আসার পথে বিকেল আনুমানিক ৫টায় পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ঘটে। এ সময় পুলিশের গুলিতে রতুলী এলাকার১ ব্যক্তি নিহত এবং রনি মিয়া, নইম উদ্দিনসহ অন্তত ১০ জন আহতহয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে সুজানগরের বড়থলগ্রামের আখই মিয়ার পুত্র রনি মিয়া মারাত্মক আহত হয়েছেন। তার অবস্থা সংকাপন্ন। তবে নিহত একজনের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। পুলিশ এ পর্যন্ত ৩০ রাউণ্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছে। পুরো উপজেলায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। র্যাব, বিজিবিসহ অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে নেয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীসহ থানা পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার কাঁঠালতলী, দক্ষিণভাগ ও সুজানগর ইউনিয়নের তাওহিদী জনতা ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা দুপুর থেকে দক্ষিণভাগ বাজার, কাঁঠালতলী বাজারে লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় গাছ ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। দক্ষিণভাগ থেকে মিছিল সহকারে বড়লেখা আসার পথে বিকেল আনুমানিক ৫টায় পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ঘটে। এ সময় পুলিশের গুলিতে রতুলী এলাকার১ ব্যক্তি নিহত এবং রনি মিয়া, নইম উদ্দিনসহ অন্তত ১০ জন আহতহয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে সুজানগরের বড়থলগ্রামের আখই মিয়ার পুত্র রনি মিয়া মারাত্মক আহত হয়েছেন। তার অবস্থা সংকাপন্ন। তবে নিহত একজনের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। পুলিশ এ পর্যন্ত ৩০ রাউণ্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছে। পুরো উপজেলায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। র্যাব, বিজিবিসহ অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে নেয়া হচ্ছে।
Wednesday, February 27, 2013
ব্লগার রাজীব হত্যা: ৭ জন গ্রেপ্তার.........
ব্লগার
রাজীব হত্যার অভিযোগে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে
পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে
সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতারা ব্লগার
আহমেদ রাজীব হায়দার হত্যাকাণ্ডের বিচার, ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক
মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার, সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি
হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক
করেন।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাতে পল্লবী থানার পলাশ নগর এলাকায়
রাজীবকে তার বাসার সামনে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
১৬ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আর সুষ্ঠুতদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের
দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
ওইদিন তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ড যারাই ঘটাক দ্রুত তাদের খুঁজে বের করে হত্যারহস্য উদঘাটন করা হবে।
নিহত রাজীবের মরদেহের ময়নাতদন্তে তার শরীরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ৭টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানান চিকিৎসকরা।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজীব হত্যা ঘটনায় অজ্ঞাতনামাবেশ কয়েকজনকে আসামি করে
পল্লবী থানায় তার বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। ওই সময়ই জিজ্ঞাসাবাদের
জন্য ৪ জনকে আটক করে পুলিশ।
আহমেদ রাজীব হায়দার পেশায় স্থপতি ও
পাশাপাশি ব্লগে লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ব্লগার হিসেবে খ্যাতিও
পেয়েছিলেন। জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে তার অবস্থান ছিল সোচ্চার।
শাহবাগ
প্রজন্ম চত্বরে যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে গণজাগরণের যে
আন্দোলন গড়ে উঠেছে এর অন্যতম কর্মী ছিলেন রাজিব। ওনলাইনে সামাজিকমিডিয়াতে
লেখালেখিতে কর্মীদের যোগাতেন অনুপ্রেরণা তিনি।
ব্রেকিং নিউজ:- আগামীকালের এসএসসি পরীক্ষা ৮ মার্চ বুধবার.........
জামাতে
ডাকা হরতালের কারণে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট
(এসএসসি) পরীক্ষা স্থগিতকরা হয়েছে। ওই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ মার্চ
শুক্রবার সকাল ৯টায়।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এসএম
ওয়াহিদুজ্জামান বুধবার সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছেন। সময়সূচি অনুযায়ী
আগামীকাল এসএসসিতে সাধারণ বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞান পরীক্ষা হওয়ার কথা
ছিল।
জুড়ীতে জনতার প্রতিরোধে ডাকাতির চেষ্টা ব্যর্থ.......
জুড়ি প্রথিনিদিঃ
জনতার প্রতিরোধের মুখে জুড়ীতে একটি ডাকাতির চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের হোসেনাবাদ গ্রামেশনিবার রাতে ঘটেছে।
বাড়ী মালিক ও এলাকাবাসী জানান, শনিবার রাত ১টার দিকে ৭/৮ জনের একটি ডাকাতদল উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী হোসেনাবাদ গ্রামে সাবেক ইউপি সদস্য ছুরতুন নেছার বাড়ীতে হানা দেয়। ডাকাতরা বাড়ীর গেটের গ্রীল ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময়লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে চারদিক থেকে লোকজন ছুটে আসলে ডাকাতরা আতœরক্ষার্থে নদী পার হয়ে সীমান্তের ওপারে চলে যায়। এঘটনায় স্থানীয় জনমনে আতংক দেখা দিলে আশপাশের বাসিন্দারা মাইকে ঘোষণা দিয়ে রাতভর পাহারা দিয়ে কাটান। জুড়ী থানার টহল পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারিরাতে জুড়ীতে ডাকাত প্রবেশ করেছে মর্মে গুজব ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার সর্বত্র জনমনে অজানা আতংক দেখা দেয়।যদিও সে রকম কোন ঘটনা ঘটেনি, তবুও এখন পর্যন্ত লোকজন ডাকাত আতংকে ভোগছেন।
জনতার প্রতিরোধের মুখে জুড়ীতে একটি ডাকাতির চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের হোসেনাবাদ গ্রামেশনিবার রাতে ঘটেছে।
বাড়ী মালিক ও এলাকাবাসী জানান, শনিবার রাত ১টার দিকে ৭/৮ জনের একটি ডাকাতদল উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী হোসেনাবাদ গ্রামে সাবেক ইউপি সদস্য ছুরতুন নেছার বাড়ীতে হানা দেয়। ডাকাতরা বাড়ীর গেটের গ্রীল ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময়লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে চারদিক থেকে লোকজন ছুটে আসলে ডাকাতরা আতœরক্ষার্থে নদী পার হয়ে সীমান্তের ওপারে চলে যায়। এঘটনায় স্থানীয় জনমনে আতংক দেখা দিলে আশপাশের বাসিন্দারা মাইকে ঘোষণা দিয়ে রাতভর পাহারা দিয়ে কাটান। জুড়ী থানার টহল পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারিরাতে জুড়ীতে ডাকাত প্রবেশ করেছে মর্মে গুজব ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার সর্বত্র জনমনে অজানা আতংক দেখা দেয়।যদিও সে রকম কোন ঘটনা ঘটেনি, তবুও এখন পর্যন্ত লোকজন ডাকাত আতংকে ভোগছেন।
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় বড়লেখা প্রেসক্লাবের প্রতিবাদ.........
যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধীদের দোসর জামায়াতে
ইসলামী তাদের সমমনা গোষ্ঠী এবং পুলিশ কর্তৃক পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ঢাকাসহ দেশের
বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ ও হামলার প্রতিবাদে
বড়লেখা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে গতকাল সোমবার বিকেলে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত
হয়। প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয় দিশারী লাইব্রেরীতে প্রেসক্লাব সভাপতি
অসিত রঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় সাংবাদিকদের ওপর
আক্রমণকারীদের চিহ্নিত করে তাদের দ্রম্নত গ্রেপ্তারও বিচারের দাবি জানিয়ে
বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাব সম্পাদক অ্যাডভোকেট গোপাল দত্ত, সহ-সাধারণ
সম্পাদক মিজানুর রহমান, কালের কণ্ঠ প্রতিনিধি লিটন শরীফ, যুগানত্মর
প্রতিনিধি আব্দুর রব, উপজেলা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন স্বপন,
উত্তরপূর্ব’র উপজেলা প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক বড়কণ্ঠের বার্তা সম্পাদক জালাল
আহমদ, সিলেট সুরমা প্রতিনিধি তপন কুমার দাস।
বড়লেখায় গাছ বাগান পুড়িয়ে এ কেমন শত্র“তা......!!
বড়লেখা প্রতিনিধি:-
বড়লেখার দক্ষিণ পাখিয়ালারবৈশাখী নার্সারীর আগর, আকাশিসহ বিভিন্ন জাতের গাছের চারা অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিয়েছে। এর আগেও আরেক দফা দুর্বৃত্তরা পৃথক দুটি বাগান পুড়িয়ে দেয়। এতে নার্সারী মালিক ছায়ফুর রহমান ছলফুর পথে বসার উপক্রমহয়েছে। গাছ পুড়ানোর ঘটনায় তিনি বড়লেখা থানায় জিডি করেন। জানা গেছে, আগর ও আকাশিসহ বিভিন্ন জাতের গাছের চারা লাগানো দক্ষিণ পাখিয়ালা এলাকায় অবস্থিত বাগানটি গত ২৩ ফেব্র“য়ারী শনিবার আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছে অজ্ঞাতরা। এতে ১ হাজার গাছের চারা ঝলসে বাগান মালিক ছায়ফুর রহমান ছলফুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সোয়া লাখ টাকা। এর পূর্বেও দুর্বৃত্তরা আরও দুটি বাগান মুছেগুল ও জফরপুর ছিলু টিল¬াএলাকায় অবস্থিত গাছ বাগান পুড়িয়ে দেয়। এতে বিভিন্ন জাতের আনুমানিক ১৩ হাজার গাছের চারা পুড়ে অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি হয়। সব কয়টি বাগান পুড়িয়ে দিয়ে শত্র“রা তাকে সর্বস্বান্ত করার চেষ্টা করছে। বর্তমানে তিনি তার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। গতকাল ২৬ ফেব্র“য়ারী মঙ্গলবার সরেজমিনে ছায়ফুর রহমান ছলফুর দক্ষিণ পাখিয়ালা এলাকার আগর ও আকাশি গাছসহ বিভিন্ন জাতের পুড়ে যাওয়া গাছের বাগানে গেলে দেখা যায়, সব গাছ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সেই সাথে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে তার অনেক দিনের লালিত স্বপ্নœ। ছায়ফুর রহমান ছলফু জানান, দুর্বৃত্তরা মাঝেমধ্যে তাকেফোনে বাগান পুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিত। কিন্তু এরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের নাম প্রকাশ করতে তিনি ভয় পান।
বড়লেখার দক্ষিণ পাখিয়ালারবৈশাখী নার্সারীর আগর, আকাশিসহ বিভিন্ন জাতের গাছের চারা অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিয়েছে। এর আগেও আরেক দফা দুর্বৃত্তরা পৃথক দুটি বাগান পুড়িয়ে দেয়। এতে নার্সারী মালিক ছায়ফুর রহমান ছলফুর পথে বসার উপক্রমহয়েছে। গাছ পুড়ানোর ঘটনায় তিনি বড়লেখা থানায় জিডি করেন। জানা গেছে, আগর ও আকাশিসহ বিভিন্ন জাতের গাছের চারা লাগানো দক্ষিণ পাখিয়ালা এলাকায় অবস্থিত বাগানটি গত ২৩ ফেব্র“য়ারী শনিবার আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছে অজ্ঞাতরা। এতে ১ হাজার গাছের চারা ঝলসে বাগান মালিক ছায়ফুর রহমান ছলফুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সোয়া লাখ টাকা। এর পূর্বেও দুর্বৃত্তরা আরও দুটি বাগান মুছেগুল ও জফরপুর ছিলু টিল¬াএলাকায় অবস্থিত গাছ বাগান পুড়িয়ে দেয়। এতে বিভিন্ন জাতের আনুমানিক ১৩ হাজার গাছের চারা পুড়ে অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি হয়। সব কয়টি বাগান পুড়িয়ে দিয়ে শত্র“রা তাকে সর্বস্বান্ত করার চেষ্টা করছে। বর্তমানে তিনি তার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। গতকাল ২৬ ফেব্র“য়ারী মঙ্গলবার সরেজমিনে ছায়ফুর রহমান ছলফুর দক্ষিণ পাখিয়ালা এলাকার আগর ও আকাশি গাছসহ বিভিন্ন জাতের পুড়ে যাওয়া গাছের বাগানে গেলে দেখা যায়, সব গাছ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সেই সাথে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে তার অনেক দিনের লালিত স্বপ্নœ। ছায়ফুর রহমান ছলফু জানান, দুর্বৃত্তরা মাঝেমধ্যে তাকেফোনে বাগান পুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিত। কিন্তু এরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের নাম প্রকাশ করতে তিনি ভয় পান।
সাঈদীর মামলার রায় কাল,.........
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামাত
নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামীকাল। বুধবার
ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে ৩
সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ দিন নির্ধারণ করে।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি মামলার যুক্তিতর্ক শেষ করে যেকোনো দিন রায় দেয়া হবে মর্মে (সিএভি)তে রেখে দেয়া হয়।
তারও আগে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর এই মামলা কার্যক্রম শেষে রায়ের অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু ১১ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে বিচারপতি নিজামুল হক সরে দাঁড়ান।
পরে বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরকে চেয়ারম্যানকরে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয় বলে হ্যালো-টুডে ডটকমকে জানিয়েছেন আদালত সুত্র।এরপর আসামিপক্ষ মামলাটিপুনর্বিচারের আবেদন করে। গত ৩ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল পুনর্বিচারের আবেদন খারিজ করে নতুন করে যুক্তি উপস্থাপনের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষের ২৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়া হয়। আর গত বছরের ২৩ অক্টোবর দুই পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ৫ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুইপক্ষ যুক্তি উপস্থাপন করে।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি মামলার যুক্তিতর্ক শেষ করে যেকোনো দিন রায় দেয়া হবে মর্মে (সিএভি)তে রেখে দেয়া হয়।
তারও আগে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর এই মামলা কার্যক্রম শেষে রায়ের অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু ১১ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে বিচারপতি নিজামুল হক সরে দাঁড়ান।
পরে বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরকে চেয়ারম্যানকরে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয় বলে হ্যালো-টুডে ডটকমকে জানিয়েছেন আদালত সুত্র।এরপর আসামিপক্ষ মামলাটিপুনর্বিচারের আবেদন করে। গত ৩ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল পুনর্বিচারের আবেদন খারিজ করে নতুন করে যুক্তি উপস্থাপনের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষের ২৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়া হয়। আর গত বছরের ২৩ অক্টোবর দুই পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ৫ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুইপক্ষ যুক্তি উপস্থাপন করে।
বড়লেখায় স্যানিটেশন বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা..........
বড়লেখা প্রতিনিধি:-
বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ (উত্তর) ইউপি হলরুমে প্রচেষ্টার উদ্যোগে এনজিও ফোরামের সহযোগিতায় গতকাল ২৫ফেব্রুয়ারী সোমবার স্যানিটেশন বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্টিত হয়। কাজী মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও এনজিও ফোরাম প্রতিনিধি আব্দুস সহিদ খানেরপরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ইউপি চেয়ারম্যার নজরুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এনজিও ফোরামের জেলা ফিল্ড অ্যাডভোকেসি অফিসার কাজী এনামুল হক খন্দকার, সাংবাদিক আব্দুর রব,একেএম নাদিম মোস্তফা, আব্দুল হামিদ, ইউপি মেম্বার মকবুল আলী, হিফজুর রহমান মান্না, ইউপি সচিব তপন দে চৌধুরী, সালেহ আহমদ জুয়েল প্রমুখ।
বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ (উত্তর) ইউপি হলরুমে প্রচেষ্টার উদ্যোগে এনজিও ফোরামের সহযোগিতায় গতকাল ২৫ফেব্রুয়ারী সোমবার স্যানিটেশন বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্টিত হয়। কাজী মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও এনজিও ফোরাম প্রতিনিধি আব্দুস সহিদ খানেরপরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ইউপি চেয়ারম্যার নজরুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এনজিও ফোরামের জেলা ফিল্ড অ্যাডভোকেসি অফিসার কাজী এনামুল হক খন্দকার, সাংবাদিক আব্দুর রব,একেএম নাদিম মোস্তফা, আব্দুল হামিদ, ইউপি মেম্বার মকবুল আলী, হিফজুর রহমান মান্না, ইউপি সচিব তপন দে চৌধুরী, সালেহ আহমদ জুয়েল প্রমুখ।
বড়লেখায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে এসআইসহ আহত ৫..........
বড়লেখা প্রতিনিধি:-
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বুধবার দুপুরে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষেপুলিশের এক এসআই, চালক ও পথচারীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।প্রত্তে কদর্শি, স্থানীয় চালক ও থানা পুলিশ সূত্র জানায়,বুধবার দুপুর ১২টায় বড়লেখা পৌর শহরের হাজীগঞ্জ বাজারের স্কুল মার্কেটের সামনে সিএনজিচালিতফোরস্ট্রোকে যাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র করে বহিরাগত চালকের সাথে লাইনম্যান ও অন্য এক চালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। স্থানীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে পাহারারত পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি দেখতে পেরে লাইনম্যান সাজু আহমদ (২০) ও চালক টনি মিয়া (২৫) কে ধরে নিয়ে শহীদ মিনারের ভেতরে বেধড়ক পেটায়। খবর পেয়ে অটোরিক্সা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও স্ট্যান্ডের ম্যানেজার সাদ্দাম উদ্দিন ঘটনাস্থলে যান। তারা জোরপূর্বক ওই দুই যুবককে নিতে চাইলে পুলিশের সাথে বাক-বিত-া হয় ও সংঘর্ষ ঘটে। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে চান্দগ্রাম-বড়ল েখা সড়কের মধ্যখানে ফোরস্ট্রোক মাঝপথে রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ও পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে ইট-পাটকেল নিড়্গেপ করে। এমনকি অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের ধাওয়া করে এলাকা ত্যাগ করাতে বাধ্য হয় শ্রমিকরা। ইট-পাটকেল নিড়্গেপে আহত হন থানা পুলিশের এসআই হারম্নন (৩০), ম্যানেজার সাদ্দাম উদ্দিন (২৮), লাইনম্যান সাজু আহমদ (২০)ও চালক টনি মিয়া (২৫) এবংজনৈক পথচারীসহ ৫ ব্যক্তি। এ সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যান আসলে তাতেও ইট-পাটকেল নিড়্গেপ করেশ্রমিকরা। এ ঘটনায় বাজারে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শানত্ম হয়।
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনাটি আপোসে নিষ্পত্তি করতেবুধবার রাতে জরম্নরী সভা ডাকা হয়েছে। অটোরিক্সা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল হোসেন ও সম্পাদক আব্দুল মতিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তবে থানা পুলিশের সেকে- অফিসার এসআই দীলিপ কানত্ম নাথ নাথ পুলিশ আহতের ঘটনাটি অস্বীকার করেন।
প্রত্যড়্গদর্শী রা জানান, রাজনৈতিকভাবে ঘটনাটি হলে ততড়্গণে পুলিশ এসল্ট মামলা হয়ে যেতো। শ্রমিক-পুলিশ ভাইভাই তাই মামলাও হয়নি। উপরন্তু বিষয়টি কম্প্রোমাইজকরছে পুলিশ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বুধবার দুপুরে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষেপুলিশের এক এসআই, চালক ও পথচারীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।প্রত্তে কদর্শি, স্থানীয় চালক ও থানা পুলিশ সূত্র জানায়,বুধবার দুপুর ১২টায় বড়লেখা পৌর শহরের হাজীগঞ্জ বাজারের স্কুল মার্কেটের সামনে সিএনজিচালিতফোরস্ট্রোকে যাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র করে বহিরাগত চালকের সাথে লাইনম্যান ও অন্য এক চালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। স্থানীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে পাহারারত পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি দেখতে পেরে লাইনম্যান সাজু আহমদ (২০) ও চালক টনি মিয়া (২৫) কে ধরে নিয়ে শহীদ মিনারের ভেতরে বেধড়ক পেটায়। খবর পেয়ে অটোরিক্সা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও স্ট্যান্ডের ম্যানেজার সাদ্দাম উদ্দিন ঘটনাস্থলে যান। তারা জোরপূর্বক ওই দুই যুবককে নিতে চাইলে পুলিশের সাথে বাক-বিত-া হয় ও সংঘর্ষ ঘটে। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে চান্দগ্রাম-বড়ল েখা সড়কের মধ্যখানে ফোরস্ট্রোক মাঝপথে রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ও পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে ইট-পাটকেল নিড়্গেপ করে। এমনকি অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের ধাওয়া করে এলাকা ত্যাগ করাতে বাধ্য হয় শ্রমিকরা। ইট-পাটকেল নিড়্গেপে আহত হন থানা পুলিশের এসআই হারম্নন (৩০), ম্যানেজার সাদ্দাম উদ্দিন (২৮), লাইনম্যান সাজু আহমদ (২০)ও চালক টনি মিয়া (২৫) এবংজনৈক পথচারীসহ ৫ ব্যক্তি। এ সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যান আসলে তাতেও ইট-পাটকেল নিড়্গেপ করেশ্রমিকরা। এ ঘটনায় বাজারে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শানত্ম হয়।
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনাটি আপোসে নিষ্পত্তি করতেবুধবার রাতে জরম্নরী সভা ডাকা হয়েছে। অটোরিক্সা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল হোসেন ও সম্পাদক আব্দুল মতিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তবে থানা পুলিশের সেকে- অফিসার এসআই দীলিপ কানত্ম নাথ নাথ পুলিশ আহতের ঘটনাটি অস্বীকার করেন।
প্রত্যড়্গদর্শী রা জানান, রাজনৈতিকভাবে ঘটনাটি হলে ততড়্গণে পুলিশ এসল্ট মামলা হয়ে যেতো। শ্রমিক-পুলিশ ভাইভাই তাই মামলাও হয়নি। উপরন্তু বিষয়টি কম্প্রোমাইজকরছে পুলিশ।
ছয় ঘণ্টার কম ঘুম শরীরের খুবই ক্ষতি করে.......!!
ব্যস্ততার জন্য একটু আয়েশ করে ঘুমানোর ফুরসৎ
পান না আপনি। এতই ব্যস্ত হয়ে ওঠেন যে কোন কোন দিন মাত্র দু’/তিন ঘণ্টা
ঘুমিয়েই কাজে বেরিয়েপড়েন। কিন্তু এ ব্যাপারে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন
যুক্তরাজ্যের গবেষকরা। তারা বলেছেন,
যথেষ্ট পরিমাণ ঘুমাতে না পারলে কাজ করার ক্ষেত্রে শরীরের স্বাভাবিক সক্ষমতা
নষ্ট হতে থাকে। ভেঙে পড়ে স্বাস্থ্য। শরীরের গঠনেও আসে নাটকীয়
পরিবর্তন।ইউনিভার্সিটি অব সুরি’র গবেষকরা জানান, সপ্তাহে দৈনিক কমপক্ষে ছয়
ঘণ্টার কম ঘুমালে শরীরের কয়েকশ’ জিনের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালীতে নাটকীয়
পরিবর্তন ঘটে। ‘প্রসিডিং অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সাইন্সেস’ এর একটি
জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় তারা ব্যাখ্যা করে দেখিয়েছেন, চাহিদানুযায়ী
কম ঘুমালে স্বাস্থ্যের ক্ষতিহয়। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, অপর্যাপ্ত ঘুম
হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্থুলতাবৃদ্ধি ওমস্তিষ্কের কার্যপ্রণালীর ব্যাপক
ক্ষতি করে। এক সপ্তাহে দৈনিক কমপক্ষে ছয় ঘণ্টা করে ঘুমানো ২৬ ব্যক্তির
স্বাস্থ্যের সঙ্গে এক সপ্তাহে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমানো ব্যক্তির স্বাস্থ্যের
তুলনা করে গবেষকরা দেখেছেন, কম ঘুমানো ব্যক্তির শরীরের সাতশ’রও বেশি জিনের
স্বাভাবিক কার্যপ্রণালীতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। শরীরে প্রোটিন তৈরির
কাজে নিয়োজিতএসব জিনগুলোর অস্বাভাবিক পরিবর্তন শারীরিক রসায়নকে
ক্ষতিগ্রস্থ করে স্বাস্থ্যহানি ঘটিয়েছে। গবেষণা দলের প্রধান ও
ইউনিভার্সিটি অব সুরি’র অধ্যাপক কলিন স্মিথ বলেন, “অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে
বিভিন্ন ধরনের জিনের কার্যক্ষেত্রে নাটকীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।”
স্মিথ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “এসব জিনের অস্বাভাবিক পরিবর্তন শরীরের
প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলে শরীরের অন্যান্য
অংশের কার্যনিয়মে।” পর্যাপ্ত ঘুম যেকোনো কাজে মনযোগী হতে সহায়তা করে
উল্লেখ করে স্মিথ পরামর্শ দিয়ে বলেন, “যেহেতু পরিষ্কার ঘুম শরীরে ইতিবাচক
প্রভাব ফেলে সেহেতু পর্যাপ্ত ঘুমের দিকেই আমাদেরনজর দেওয়া উচিত।”
সিলেট আলীয়া মাঠে শহীদরাহাতের জানাজায় লাখো মানুষের ঢল.............
সিলেটের ঐতিহাসিক আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে লাখো
কোরআন প্রেমিক জনতার বুকফাটা আর্তনাদ, গগনবিদারী কান্না আর চোখের জলে শিবির
নেতা শহীদআলী আজগর খান রাহাতকে চিরবিদায় জানালো সিলেটবাসী।
জানাযাপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবির এবং
১৮দলীয় জোট নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে ঢুকরে কেঁদে উঠেন উপস্থিত লক্ষ মানুষ।
এসময় সেখানে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়। শহীদের পরিবারের সদস্য,
সংগঠনের দায়িত্বশীল, আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্খী ও বন্ধুদেরকে নির্বাক করে
দিয়ে দ্বীনের পথে শাহাদাতবরণ করে মহান রবের কাছে চলে গেলেন শহীদ রাহাত।
অনার্স চূড়ান্ত বর্ষের ফলপ্রার্থী রাহাতকে শহীদ করার মাধ্যমে কুড়ি থেকে
ফুল হওয়ার আগেই একটি সম্ভাবনাকে দুনিয়া থেকে বিদায় করা হল। খুনীদের
নির্মমতার জন্য আল্লাহর কাছেবিচার চাইলেন লাখো ধর্মপ্রাণমুসল্লী। রাহাতের
রেখে যাওয়া কাজ সম্পাদন করে বাংলার সবুজ ভূখণ্ডে ইসলামেরপতাকা উড্ডীন করার
মাধ্যমেই শহীদের রক্তের বদলা নেয়ার শপথ নেন তার সাথীরা।
গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরী ঐতিহাসিক আলীয়ামাদ্রাসা ময়দানে মহানগর শিবির নেতা আলী আজগর খান রাহাতের বিশাল ১ম জানাযা লক্ষাধিক জনতার উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় শহীদের কফিন মাঠে উপস্থিত হলে লাশ দেখে হাউমাউ করে বুকফাটা কান্নায় ফেটে পড়েন শহীদের সাথীরা। জানাযার পূর্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করে সিলেট মহানগর জামায়াত। জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর এডভোকেট এহসানুলমাহবুব জুবায়ের এর সভাপতিত্বে ও মহানগর সেক্রেটারী সিরাজুল ইসলাম শাহীন এর পরিচালনায় সমাবেশেবক্তব্য রাখেন শহীদ রাহাতের গর্বিত পিতা সুলেমান খান ও বড় ভাই শাকিল খান। বিশাল জানাযায় ইমামতি করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট বিভাগীয় আঞ্চলিক দায়িত্বশীল অধ্যাপক ফজলুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা দক্ষিণের আমীর মাওলানা হাবীবুর রহমান, সিলেট জেলা উত্তরের আমীর হাফিজ মাওলানা আনোয়ার হোসাইন খান, সুনামগঞ্জ জেলা আমীর হাতীমুররহমান, মৌলভীবাজার জেলা আমীর আব্দুল মান্নান, শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারী জেনারেল এর প্রেরিত প্রতিনিধি কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক বদিউল আলম, ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগর সভাপতি আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু, বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মাওলানা আব্দুল ওয়াহীদ চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নাসিম হোসাইন, ইসলামী ঐক্যজোট মহানগর সভাপতি মুফতীফয়জুল হক জালালাবাদী, খেলাফত মজলিশ মহানগর সহসভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান তাপাদার, লেবারপার্টি মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, বিশিষ্ট মুরব্বী ডাঃ নুরুল হক, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ, দোয়ারাবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান ডাঃ আব্দুল কুদ্দুস, জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার ইসলামের অবমাননাকারীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে কোরআনের পক্ষের ধর্মপ্রাণ মানুষকে পাখির মতো গুলী করে হত্যা করছে। যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত শিবির নেতা শহীদ রাহাত। সারা বাংলাদেশে আজ লাশের স্তুপ। অবিলম্বে নির্মম হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করুন।পুলিশ নিরীহ জনতার উপর গুলী চালাতে হলে ম্যাজিস্ট্রেট এরঅনুমতি প্রয়োজন। কিন্তু কতিপয় অতিউৎসাহী পুলিশ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে নিরীহ মানুষকে নৃশংসভাবে গুলী চালিয়ে এবং চোখ উপড়ে হত্যা করছে। অবিলম্বে রাহাতসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীর খুনের সাথে জড়িতপুলিশ ও সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসুন। অন্যথায়জনতার আদালতে একদিন তাদের বিচার হবেই ইনশাআল্লাহ।
শহীদের গ্রামের বাড়ী কায়েস্তরাইল শাহীঈদগাহ ময়দানে ২য় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের পূর্বসমাবেশে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ, শহীদ রাহাতের বড় ভাই সেলিম খান, ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল জলিল নজরুল, ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আওয়ামীলীগ নেতা আশিক আহমদ, শহীদ রাহাতের শিক্ষক সাংবাদিক কবির আহমদ, কায়স্তরাইল সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি কফিল উদ্দিন আলমগীর, মহানগর বিএনপি নেতা হেলাল আহমদ, জামায়াত নেতা মাওলানা মুজিবুর রহমান, রেহান আহমদ হারিস প্রমুখ। নামাজে জানাজার ইমামতি করেন মাওলানা মাহবুব আহমদ নঈমী। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরী ঐতিহাসিক আলীয়ামাদ্রাসা ময়দানে মহানগর শিবির নেতা আলী আজগর খান রাহাতের বিশাল ১ম জানাযা লক্ষাধিক জনতার উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় শহীদের কফিন মাঠে উপস্থিত হলে লাশ দেখে হাউমাউ করে বুকফাটা কান্নায় ফেটে পড়েন শহীদের সাথীরা। জানাযার পূর্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করে সিলেট মহানগর জামায়াত। জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর এডভোকেট এহসানুলমাহবুব জুবায়ের এর সভাপতিত্বে ও মহানগর সেক্রেটারী সিরাজুল ইসলাম শাহীন এর পরিচালনায় সমাবেশেবক্তব্য রাখেন শহীদ রাহাতের গর্বিত পিতা সুলেমান খান ও বড় ভাই শাকিল খান। বিশাল জানাযায় ইমামতি করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট বিভাগীয় আঞ্চলিক দায়িত্বশীল অধ্যাপক ফজলুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা দক্ষিণের আমীর মাওলানা হাবীবুর রহমান, সিলেট জেলা উত্তরের আমীর হাফিজ মাওলানা আনোয়ার হোসাইন খান, সুনামগঞ্জ জেলা আমীর হাতীমুররহমান, মৌলভীবাজার জেলা আমীর আব্দুল মান্নান, শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারী জেনারেল এর প্রেরিত প্রতিনিধি কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক বদিউল আলম, ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগর সভাপতি আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু, বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মাওলানা আব্দুল ওয়াহীদ চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নাসিম হোসাইন, ইসলামী ঐক্যজোট মহানগর সভাপতি মুফতীফয়জুল হক জালালাবাদী, খেলাফত মজলিশ মহানগর সহসভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান তাপাদার, লেবারপার্টি মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, বিশিষ্ট মুরব্বী ডাঃ নুরুল হক, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ, দোয়ারাবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান ডাঃ আব্দুল কুদ্দুস, জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার ইসলামের অবমাননাকারীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে কোরআনের পক্ষের ধর্মপ্রাণ মানুষকে পাখির মতো গুলী করে হত্যা করছে। যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত শিবির নেতা শহীদ রাহাত। সারা বাংলাদেশে আজ লাশের স্তুপ। অবিলম্বে নির্মম হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করুন।পুলিশ নিরীহ জনতার উপর গুলী চালাতে হলে ম্যাজিস্ট্রেট এরঅনুমতি প্রয়োজন। কিন্তু কতিপয় অতিউৎসাহী পুলিশ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে নিরীহ মানুষকে নৃশংসভাবে গুলী চালিয়ে এবং চোখ উপড়ে হত্যা করছে। অবিলম্বে রাহাতসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীর খুনের সাথে জড়িতপুলিশ ও সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসুন। অন্যথায়জনতার আদালতে একদিন তাদের বিচার হবেই ইনশাআল্লাহ।
শহীদের গ্রামের বাড়ী কায়েস্তরাইল শাহীঈদগাহ ময়দানে ২য় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের পূর্বসমাবেশে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ, শহীদ রাহাতের বড় ভাই সেলিম খান, ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল জলিল নজরুল, ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আওয়ামীলীগ নেতা আশিক আহমদ, শহীদ রাহাতের শিক্ষক সাংবাদিক কবির আহমদ, কায়স্তরাইল সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি কফিল উদ্দিন আলমগীর, মহানগর বিএনপি নেতা হেলাল আহমদ, জামায়াত নেতা মাওলানা মুজিবুর রহমান, রেহান আহমদ হারিস প্রমুখ। নামাজে জানাজার ইমামতি করেন মাওলানা মাহবুব আহমদ নঈমী। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
Tuesday, February 26, 2013
জানুনু ক্যান্সারের লক্ষণ.........
কার্সিনোমা শব্দটি ক্যান্সার শব্দের প্রতিশব্দ। এ
শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার চিকিৎসাবিজ্ঞানী
হিপোক্রিটাস। ক্যান্সার সম্পর্কে জানা যায় প্রাচীন মিসরের প্যাপিরাস নামক
একটি কাগজে, যাতে আটটি স্তন ক্যান্সারের
বিবরণ ছিল। তখন থেকে মানুষ মনে করত ক্যান্সার দেব-দেবীর অভিশাপের ফসল।
প্রাচীনকাল থেকেই ক্যান্সার মানুষের প্রাণঘাতী রোগ হিসেবেই পরিচিতি পেয়ে
আসছে। তখন থেকেই বলা হতো ক্যান্সারের নেই অ্যানসার। এ মিথ এখন পুরোপুরি
অচল। ক্যান্সারের এখন অ্যানসার আছে। বিশেষ করে১৯৯০ সালের পর থেকে
বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারকে জয় করে বেঁচে থাকা মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। শুধু
তাই নয়, মোট ক্যান্সারের এক-তৃতীয়াংশ প্রতিরোধ করা যায় ও শুরুতে নির্ণয়
করা গেলে ক্যান্সারের চিকিৎসা করিয়ে পুরোপুরি সুস্থ হওয়া যায়। গবেষণায়
দেখা গেছে, স্তন ক্যান্সারের টিউমারটি যদি অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ার আগেই
নির্ণয় করা সম্ভব হয় তবে রোগীর ১০ বছর বেঁচে থাকার হার শতকরা ৯৮.১ ভাগ,
যদি আশপাশের লিল্ফম্ফনোডে ছড়িয়ে পড়ে তবে ৮৩.১ ভাগ আর যদি দেহের বিভিন্ন
অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে তবে মাত্র ২৬ ভাগ। ক্যান্সারযত তাড়াতাড়ি নির্ণয় করা
যায় ততই ভালো। এ জন্য ক্যান্সারের লক্ষণগুলো জানাথাকলে সহজেই ক্যান্সার
সম্পর্কে ধারণা নিয়ে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের
ক্যান্সারের বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ আছে। জনসাধারণের পক্ষে এত জানা ও মনে রাখা
সম্ভব নয়। এ কথা বিবেচনা করে ও প্রধান ক্যান্সারগুলোর কথা মাথায় রেখে
আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি ক্যান্সারের জন্য সাতটি বিপদ চিহ্ন ঘোষণা
করেছে। এ এগুলো হলো_ ১. স্তনে শক্ত চাকা বা শরীরের অন্য কোনো স্থানে শক্ত
চাকা, ২. শরীরের কোনো স্থানের ঘা যেটাসহজেই সারছে না, ৩. হঠাৎ তিল বা
আঁচিলে পরিবর্তন দেখা দেওয়া, ৪. দীর্ঘদিন ধরে কাশি বা ভগ্ন কণ্ঠ, ৫.
মাসিকের সময়অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা মাসিকের সময় ছাড়া অন্য কোনো সময়
রক্তক্ষরণ এবং মুখ, মলদ্বার বা অন্য কোনো স্থান দিয়ে নিয়মিত রক্তক্ষরণ,
৬. দীর্ঘদিন ধরে পেটের হজমে সমস্যা বা খাবার গলাধঃকরণে কষ্ট হওয়া ৭.
প্রস্রাব-পায়খানায় পরিবর্তন। এ সমস্যাগুলো দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত
চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
সূত্র : ঢাকানিউজ24ডটকম
সূত্র : ঢাকানিউজ24ডটকম
সিলেটে গুলিবিদ্ধ শিবিরনেতাসহ ২ জনের মৃত্যু.....
বড়লেখা প্রতিনিধি:-সিলেটে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধশিবির নেতা আলী আজগর খান রাহাত সোমবার দুপুরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন।
মদন মোহন কলেজের ছাত্রশিবির নেতা আলী আজগর খান রাহাত সিলেটের দণি সুরমার কায়স্থারাইলের বাসিন্দা। তিনি ছাত্রশিবির দণি সুরমার সাবেক সভাপতি ও সিলেট মহানগরের সহকারী ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর চৌহাট্টা থেকে শিবির মিছিল বের করে। মিছিলটি নয়াসড়কের দিকে অগ্রসর হতে চাইলে নির্বিচারে গুলি চালায় পুলিশ। পুলিশের একটি গুলি রাহাতের বুকের বাম পাশ দিয়ে ঢুকে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। এতে তার বুক ঝাঁঝরা হয়ে যায়। দ্রুত মোটরসাইকযোগে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যালকলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যায়। পরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার এ্যাপলো হাসপাতালে পাঠানো হয়। সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
আমাদের সংবাদদাতা জানান, সিলেটে পুলিশের গুলিতে আহত যুবক আব্দুর রহমান সুহিনও মারা গেছেন। রোববার রাতে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যায়। শুক্রবার সিলেট নগরীর চৌহাট্রা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে উলামাদেরসংঘর্ষকালে গুলিবিদ্ধ হন সুহিন। এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্র জানায়, রাত ১০ টার দিকে সুহিন মারা যান। নিহত সুহিনের বাড়ি সিলেট নগরীর নয়াসড়ক এলাকায়। সুহিন কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী ছিলেন না বলে তার পরিবার দাবি করেছে।
মদন মোহন কলেজের ছাত্রশিবির নেতা আলী আজগর খান রাহাত সিলেটের দণি সুরমার কায়স্থারাইলের বাসিন্দা। তিনি ছাত্রশিবির দণি সুরমার সাবেক সভাপতি ও সিলেট মহানগরের সহকারী ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর চৌহাট্টা থেকে শিবির মিছিল বের করে। মিছিলটি নয়াসড়কের দিকে অগ্রসর হতে চাইলে নির্বিচারে গুলি চালায় পুলিশ। পুলিশের একটি গুলি রাহাতের বুকের বাম পাশ দিয়ে ঢুকে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। এতে তার বুক ঝাঁঝরা হয়ে যায়। দ্রুত মোটরসাইকযোগে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যালকলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যায়। পরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার এ্যাপলো হাসপাতালে পাঠানো হয়। সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
আমাদের সংবাদদাতা জানান, সিলেটে পুলিশের গুলিতে আহত যুবক আব্দুর রহমান সুহিনও মারা গেছেন। রোববার রাতে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যায়। শুক্রবার সিলেট নগরীর চৌহাট্রা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে উলামাদেরসংঘর্ষকালে গুলিবিদ্ধ হন সুহিন। এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্র জানায়, রাত ১০ টার দিকে সুহিন মারা যান। নিহত সুহিনের বাড়ি সিলেট নগরীর নয়াসড়ক এলাকায়। সুহিন কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী ছিলেন না বলে তার পরিবার দাবি করেছে।
কুলাউড়ার কাদিপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান...........
বড়লেখা প্রতিনিধি:- কুলাউড়া উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের শহীদ আমির উদ্দিন স্মৃতি সংস্থার আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধা ও গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
গত ২২ ফেব্র“য়ারী শুক্রবার সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগ এর সাবেক সভাপতি সৈয়দ মহসীন আলী এমপি। ছকাপন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালিক এর সভাপতিত্বে ও শহীদ আমীর উদ্দিন স্মৃতি সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তায়েফ মোঃ নিয়াজুল ইসলাম এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এড. সৈয়দ কামাল, সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক, কাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, শাহ্জালাল আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও সাপ্তাহিক কুলাউড়ার ডাক পত্রিকার সম্পাদক এ কে এম সফি আহমদ সলমান, কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জাফর আহমদ গিলমান। এ ছাড়াও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া পৌরসভার কাউন্সিলরইকবাল আহমদ শামীম, জেদ্দা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সেলিম আহমদ, কাতার যুবলীগের সহ সভাপতি এম এ সালাম, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ জাকারিয়া হোসেন,কুলাউড়া উপজেলা যুবলীগ সহ সভাপতি খায়রুল আলম কয়ছর, কুলাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুল মতলিব, সাংগঠনিক সম্পাদক আহবাব হোসেন রাসেল, ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম মিঠু। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শহীদ আমির উদ্দিন স্মৃতি সংস্থার সভাপতি সালাম আহমদ বাপ্পি প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রনজিৎ চন্দ্র শীল, মুক্তিযোদ্ধা আজির উদ্দিন আহমদ, আনোয়ার হোসেন, সাজিদ আলী, মিরজান আলী, মজিদ চৌধুরী,আব্দুর রাজ্জাক, ছমুর আলী ছাড়াও শহীদ পরিবারের সদস্য,কুলাউড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক হোসেন মনসুর, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সুনির্মল দত্ত, সাংবাদিক তারেক হাসান, এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া, কুলাউড়া উপজেলা জাসদ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন খান, শহীদ আমির উদ্দিন স্মৃতি সংস্থার সদস্য খালেদ,আবদাল, লিমন, জুনেদ, নিয়ামুল,জুয়েল, ফরহাদ, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আলোচনা সভা শেষে সংবর্ধিত অতিথি ও মুক্তিযোদ্ধাদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিবৃন্দদের ফুলের তোড়া দিয়ে বরন করা হয়।
গত ২২ ফেব্র“য়ারী শুক্রবার সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগ এর সাবেক সভাপতি সৈয়দ মহসীন আলী এমপি। ছকাপন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালিক এর সভাপতিত্বে ও শহীদ আমীর উদ্দিন স্মৃতি সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তায়েফ মোঃ নিয়াজুল ইসলাম এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এড. সৈয়দ কামাল, সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক, কাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, শাহ্জালাল আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও সাপ্তাহিক কুলাউড়ার ডাক পত্রিকার সম্পাদক এ কে এম সফি আহমদ সলমান, কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জাফর আহমদ গিলমান। এ ছাড়াও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া পৌরসভার কাউন্সিলরইকবাল আহমদ শামীম, জেদ্দা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সেলিম আহমদ, কাতার যুবলীগের সহ সভাপতি এম এ সালাম, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ জাকারিয়া হোসেন,কুলাউড়া উপজেলা যুবলীগ সহ সভাপতি খায়রুল আলম কয়ছর, কুলাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুল মতলিব, সাংগঠনিক সম্পাদক আহবাব হোসেন রাসেল, ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম মিঠু। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শহীদ আমির উদ্দিন স্মৃতি সংস্থার সভাপতি সালাম আহমদ বাপ্পি প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রনজিৎ চন্দ্র শীল, মুক্তিযোদ্ধা আজির উদ্দিন আহমদ, আনোয়ার হোসেন, সাজিদ আলী, মিরজান আলী, মজিদ চৌধুরী,আব্দুর রাজ্জাক, ছমুর আলী ছাড়াও শহীদ পরিবারের সদস্য,কুলাউড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক হোসেন মনসুর, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সুনির্মল দত্ত, সাংবাদিক তারেক হাসান, এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া, কুলাউড়া উপজেলা জাসদ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন খান, শহীদ আমির উদ্দিন স্মৃতি সংস্থার সদস্য খালেদ,আবদাল, লিমন, জুনেদ, নিয়ামুল,জুয়েল, ফরহাদ, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আলোচনা সভা শেষে সংবর্ধিত অতিথি ও মুক্তিযোদ্ধাদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিবৃন্দদের ফুলের তোড়া দিয়ে বরন করা হয়।
শমশেরনগর-চাতলা শুল্ক বন্দর সড়কে জোড়া সেতুতে পাথর বোঝাই ট্রাক আটকা পড়ায় আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ...........
বড়লেখা প্রতিনিধি
:-মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর-চাতলাপুর স্থল শুল্ক বন্দর সড়কের কানিহাটি চা বাগান সংলগ্ন জোড়া সেতুর উপর ভাঙ্গা পাথরবোঝাই ট্রাক আটকা পড়ে। সেতুর উপর পাথর বোঝাই ট্রাক আটকা পড়ায় দু’দিন ধরে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ভারতে রপ্তানিকৃত পণ্য বোঝাই ট্রাকসহ সমুহ আটকা পড়ে আমদানি রপ্তানি বন্ধ।
গত ২৩ ফেব্র“য়ারি শনিবার সন্ধ্যায় দু’টি সিএনজিকে ক্রস করতে গিয়ে ট্রাকটি দুর্ঘটনা কবলিত হয়। জানা যায়, সিলেট থেকে আসা ভারতে রপ্তানিকৃত ভাঙ্গা পাথরগামীএকটি ট্রাক শমশেরনগর-চাতলাপুর স্থল শুল্ক বন্দর সড়ক দিয়ে ভারতের উত্তর ত্রিপুরার কৈলাসহরে রপ্তানির জন্য যাচ্ছিল। কানিহাটি চা বাগান সংলগ্ন জোড়া সেতু অতিক্রম করার সময় দু’টি সিএনজিকে ক্রস করতে গিয়ে ভাঙ্গা পাথর বোঝাই একটি ট্রাকের যন্ত্র ভেঙ্গে সেতুৃর উপর কাত হয়ে পড়ে। এমনিতেই জোড়া এ সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ তার উপর শনিবার সেতুর উপর পাথর বোঝাইট্রাক আটকা পড়ায় ঝুঁকি আরওবেড়ে গেছে। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, যে কোন সময়ে পুরাতন এ সেতুটি ভেঙ্গে যেতেপারে। এ ঘটনার পর শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সরাসরি চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশনে সড়কে যাগাযোগ বন্ধ রয়েছে। সেতুর উপরের এক পাশ দিয়ে রীতিমত ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেল ও ছোট সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করলেও প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সেতুর পশ্চিম দিকে ভারতে রপ্তানির জন্য আসা পণ্যবাহী ১০টি ট্রাক আটকা পড়ে আছে। রপ্তানী কারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নন্তু দাশ ও খন্দকার আতিক সেলিম বলেন, প্রতিদিনই এ সড়ক ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে গড়ে ১৫ ট্রাক পণ্য ভারতের উত্তর ত্রিপুরায় রপ্তানি করা হয়। শনিবার সন্ধ্যা থেকে একটি ট্রাক সেতুর উপর দূর্ঘটনা কবলিত হলে দুই দিন ধরে চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে আমদানি রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। দূর্ঘটনাস্থল পরিদর্শণে আসাসড়ক ও জনপথের কর্মকর্তা দেবাশীষ দে জানান, সেতুটি এমনিতেই ঝুঁকিপূর্ণ। শনিবারথেকে ট্রাক আটকা পড়ায় এখন জরুরী ভিত্তিতে দূর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি উদ্ধার করে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
:-মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর-চাতলাপুর স্থল শুল্ক বন্দর সড়কের কানিহাটি চা বাগান সংলগ্ন জোড়া সেতুর উপর ভাঙ্গা পাথরবোঝাই ট্রাক আটকা পড়ে। সেতুর উপর পাথর বোঝাই ট্রাক আটকা পড়ায় দু’দিন ধরে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ভারতে রপ্তানিকৃত পণ্য বোঝাই ট্রাকসহ সমুহ আটকা পড়ে আমদানি রপ্তানি বন্ধ।
গত ২৩ ফেব্র“য়ারি শনিবার সন্ধ্যায় দু’টি সিএনজিকে ক্রস করতে গিয়ে ট্রাকটি দুর্ঘটনা কবলিত হয়। জানা যায়, সিলেট থেকে আসা ভারতে রপ্তানিকৃত ভাঙ্গা পাথরগামীএকটি ট্রাক শমশেরনগর-চাতলাপুর স্থল শুল্ক বন্দর সড়ক দিয়ে ভারতের উত্তর ত্রিপুরার কৈলাসহরে রপ্তানির জন্য যাচ্ছিল। কানিহাটি চা বাগান সংলগ্ন জোড়া সেতু অতিক্রম করার সময় দু’টি সিএনজিকে ক্রস করতে গিয়ে ভাঙ্গা পাথর বোঝাই একটি ট্রাকের যন্ত্র ভেঙ্গে সেতুৃর উপর কাত হয়ে পড়ে। এমনিতেই জোড়া এ সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ তার উপর শনিবার সেতুর উপর পাথর বোঝাইট্রাক আটকা পড়ায় ঝুঁকি আরওবেড়ে গেছে। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, যে কোন সময়ে পুরাতন এ সেতুটি ভেঙ্গে যেতেপারে। এ ঘটনার পর শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সরাসরি চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশনে সড়কে যাগাযোগ বন্ধ রয়েছে। সেতুর উপরের এক পাশ দিয়ে রীতিমত ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেল ও ছোট সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করলেও প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সেতুর পশ্চিম দিকে ভারতে রপ্তানির জন্য আসা পণ্যবাহী ১০টি ট্রাক আটকা পড়ে আছে। রপ্তানী কারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নন্তু দাশ ও খন্দকার আতিক সেলিম বলেন, প্রতিদিনই এ সড়ক ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে গড়ে ১৫ ট্রাক পণ্য ভারতের উত্তর ত্রিপুরায় রপ্তানি করা হয়। শনিবার সন্ধ্যা থেকে একটি ট্রাক সেতুর উপর দূর্ঘটনা কবলিত হলে দুই দিন ধরে চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে আমদানি রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। দূর্ঘটনাস্থল পরিদর্শণে আসাসড়ক ও জনপথের কর্মকর্তা দেবাশীষ দে জানান, সেতুটি এমনিতেই ঝুঁকিপূর্ণ। শনিবারথেকে ট্রাক আটকা পড়ায় এখন জরুরী ভিত্তিতে দূর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি উদ্ধার করে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বড়লেখার কাঁঠাল তলীতে ভলিবল লীগের উদ্বোধন.....
বড়লেখা প্রতিনিধি:-
বড়লেখা ভলিবল এসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় কাঁঠালতলী বাজার সংলগ্ন মাঠে গতকাল ২৪ ফেব্র“য়ারী রোববার বিকেল ৩টায় বদরুল ইসলাম ভলিবল লীগের উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন। এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এখলাছ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মান্না দে ও এবি সিদ্দিকী দুলালের যৌথ উপস্থাপনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহাব উদ্দিন এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল হাসান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ, ভলিবল এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি সংগঠক লুৎফর রহমান চুন্নু প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সুজানগরের বাসিন্দা আগর-আতর ব্যবসায়ী বদরুল ইসলামের রতুলীস্থ বাসায় ডাকাতবেশী ডাকাতদের হামলায়তিনি মারাত্মক আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভজানানো হয়। প্রসঙ্গত, লীগে মোট ১০টি দল অংশ নিয়েছে। উদ্বোধনী খেলায় পাখিয়ালা স্পোটিং ক্লাব ৩-০ সেটে সোনারবাংলা স্পোটিং ক্লাবকেহারায়।
তিন জালনোট প্রস্তুতকারী আটক.........
মৌলভীবাজারের
শ্রীমঙ্গলে ৭০ হাজার টাকার জালনোট ও টাকা তৈরীর সরঞ্জামাদিসহ তিন জালনোট
প্রস্তুতকারীকে আটক করেছে পুলিশ। ২২ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার রাতে শ্রীমঙ্গলের
সাতগাঁও এলাকায় সম্রাট ফিলিংষ্টেশনের ২য় তলায় জালনোট
প্রস্তুতের সময় পুলিশ হাতেনাতে তিন জনকে আটক করে। আটককৃতরা হলো সিলেটের
টিলাগড়মিরেরপাড়া এলাকার রাজু মিয়া, হবিগঞ্জের ইনাতগঞ্জ এলাকার রব্বানী ও
নেত্রকোনার কালীয়াজুড়ি এলাকার সমীর সরকার। মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ
সুপার মাসুদুর রহমান প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুলার নেতৃত্বে একদল পুলিশ
এদের আটক করে। ধৃত এ চক্র দীর্ঘদিন ধরে জালটাকা প্রস্তুত করে সাধারন
মানুষেরসাথে প্রতারনা করে আসছিল বলে জানান তিনি।
শিবির ও শাহবাগীদের মধ্যে চলছে সাইবার যুদ্ধ........
শিবির ও শাহবাগীদের মধ্যে চলছে সাইবার যুদ্ধ৷৷ আইসিটি নিউজ ডেস্ক ৷ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এবং শাহবাগ আন্দোলনকারীদের মধ্যে চলছে সাইবার যুদ্ধ । দুইপক্ষের আক্রমন এবং পাল্টাআক্রমনে দেশের ভার্চুয়াল জগতএখন উত্তপ্ত । শুক্রবার রাতে শিবিরের ওয়েবসাইট shibir.org.bd হ্যাক করে শাহবাগ আন্দোলনকারীদের জন্য উৎসর্গ করেন XTOR নামেরএকটি হ্যাকার গ্রুপ ।
শিবির ওয়েবসাইটের বার্তায় তারা সাইবার যুদ্ধের ঘোষনা দেন । আজ দুপুরের পরে শিবির কর্মীরা তাদের ওয়েবসাইটটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয় । পাল্টা আক্রমনে শনিবার প্রথমপ্রহরেই বাংলাদেশ সরকারের তথ্য-ভাণ্ডার নামে পরিচিত জাতীয় ই-তথ্য কোষ infokosh.bangladesh.gov.bd হ্যাক করেছেন মুসলিম সাইবার সেলজ টিম নামে এক হ্যাকার গ্রুপ । ই-তথ্য কোষ এর ওয়েবসাইট হ্যাক করে এরহোমপেজ ব্লাক আউট করে সেখানে হ্যাকার দলটি নিজেদের লোগো সেঁটে দিয়েছে, ‘আমরা ভালোবাসিআপনার তৈরি করা নিরাপত্তাকে ভেঙে দিতে ‘উই লাভ টু ব্রেক দ্য সিকিউরিটিস ক্রিয়েট ইউ’। যদিও হ্যাক হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যই ওয়েবসাইটটি উদ্ধার করা হয় । সাইবার জগতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে লড়ে যাচ্ছে হ্যাকার দলগুলো ।
Sunday, February 24, 2013
বড়লেখায় ট্রাক্টর চাপায় নিহত স্কুলছাত্রের পরিবারকেমামলা তুলে নেওয়ার হুমকি........
বড়লেখায় ট্রাক্টর চাপায় নিহত স্কুলছাত্র
আব্দুলস্নাহ আল মাছুমের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়না তদনত্ম শেষে গত
বুধবার তার পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে পুলিশ। এলাকাবাসী ও থানা
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি ক্ষিণভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র আব্দুলস্নাহ আল মাছুম (১০) জ্যোতিরবন্দ গ্রামের আব্দুস
শুক্কুরের ট্রাক্টর চাপায় নিহত হয়। প্রভাবশালীদের চাপে ময়না তদনত্ম ছাড়াই
লাশ দাফন করতে বাধ্য হয় নিহতের পরিবার। পরবর্তীতে নিহতের মা সারিয়া বেগম গত
৩ ফেব্রম্নয়ারি বড়লেখা আদালতে ট্রাক্টর মালিক আব্দুস শুক্কুর, আওয়ামীলীগ
নেতা তাজ উদ্দিন লতাসহ ট্রাক্টরের ড্রাইভার ওহেল্পারকে আসামী করে হত্যা
মামলা করেন। আদালত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দেন। গত মঙ্গলবার
লাশ উত্তোলনকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল আলম ওবড়লেখা থানার এসআই
রজব আলীসহ নিহত স্কুলছাত্রের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। ময়না তদনত্ম শেষে গত
বুধবার দুপুরে নিহতের নিহতের লাশ মায়ের কাছে হসত্মানত্মর করা হয়। নিহত
স্কুলছাত্রের মাতা সারিয়া বেগম ও মামা খায়রম্নল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন,
মামলাতুলে নেওয়ার জন্য অন্যতম আসামী আওয়ামীলীগ নেতা তাজ উদ্দিন লতা তাদেরকে
অব্যাহত হুমকি দিচ্ছেন। প্রভাবশালীদের অব্যাহত হুমকি-ধমকিতে চরম
নিরাপত্তাহনতায় ভুগছেন।
প্রসঙ্গত, জুড়ী উপজেলার বড়ধামাই গ্রামের দুবাই প্রবাসী আব্দুর রহমানের ছেলেআব্দুলস্নাহ আল মাছুম বড়লেখাউপজেলার দড়্গিণভাগ ইউনিয়নের আরেঙ্গাবাদ গ্রামে নানা বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করতো।
প্রসঙ্গত, জুড়ী উপজেলার বড়ধামাই গ্রামের দুবাই প্রবাসী আব্দুর রহমানের ছেলেআব্দুলস্নাহ আল মাছুম বড়লেখাউপজেলার দড়্গিণভাগ ইউনিয়নের আরেঙ্গাবাদ গ্রামে নানা বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করতো।
সিলেটসহ সারা দেশে ৩৭ মামলায় আসামি ৫৪ হাজার.......
ইসলাম অবমাননার বিরুদ্ধে শুক্রবার মুসল্লিদের বিক্ষোভের ঘটনায় শীর্ষ ধর্মীয় নেতা, দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকসহ প্রায় ৫৩ হাজার ৭০০ জনকে আসামি করে সারা দেশে৩৭টি মামলা করেছে পুলিশ। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২৮৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ঢাকায় ৯২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
মামলার আসামি ধর্মীয় নেতাদেরমধ্যে রয়েছেন- জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ নেজামী, খেলাফত আন্দোলনের আমীরে শরীয়ত মাওলানা শাহ্ আহমদুল্লাহ আশরাফ, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব সাবেক মন্ত্রী মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাস ও সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান আজাদ।
এছাড়াও আছেন দৈনিক আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার।
রিমান্ড
হেফাজতে পাঠানোদের মধ্যে পল্টন থানায় গ্রেপ্তার ৩৩ জন, রমনা থানার ১৫ জন, মতিঝিল থানার ১০ জন, শাহবাগ থানার ১০ জন, ধানমন্ডি থানার তিনজন, উত্তরা (পশ্চিম) থানার ছয়জন ওউত্তরা (পূর্ব) থানার সাতজন, শাহ আলী থানার পাঁচজন ও হাজারীবাগ থানায় গ্রেপ্তার তিনজন রয়েছেন।
ঢাকা
ঢাকায় ইসলামী ও সমমনা ১২ দল এবং ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের নামে পৃথক ১৫টি মামলা করেছে পুলিশ। অন্যদিকে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৫টি।
মামলাগুলোর মধ্যে পল্টন ও শাহবাগ থানায় চারটি করে এবং রমনা, শেরেবাংলা ও ওয়ারিতে একটি করে মামলা দায়ের করা হয়।শুক্রবার রাতে রাজধানীর সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ কর্মকর্তারা এক হাজারেরও বেশি লোককে আসামি করে এসব মামলা দায়ের করেন।
এছাড়াও সাংবাদিক ও পুলিশের উপর হামলা, পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করেআতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে পল্টনথানায় তিনটি ও দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
চারটি মামলার প্রত্যেকটিতে ৫৮ জনের নাম উল্লেখ করে চার হাজার নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতথেকে শনিবার ভোররাত পর্যন্ত এ মামলা চারটি দায়ের করে পুলিশ।
অন্যদিকে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে শাহবাগ ও পল্টন থানায় পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়।
এসব মামলায় জামায়াতে ইসলামীরভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, নায়েবে আমির হামিদুর রহমান আজাদ এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বারসহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় পাঁচ হাজার লোককে আসামি করা হয়।
ঢাকায় দায়ের করা মামলাগুলোতেগ্রেপ্তার দেখানো ব্যক্তিদের মধ্যে পল্টন থানায় গ্রেপ্তার ৩৩ জন, রমনা থানার ১৫ জন, মতিঝিল থানার ১০ জন, শাহবাগ থানার ১০ জন, ধানমন্ডি থানার তিনজন, উত্তরা (পশ্চিম) থানার ছয়জন ওউত্তরা (পূর্ব) থানার সাতজন, শাহআলী থানার পাঁচজন ও হাজারীবাগ থানায় গ্রেপ্তার তিনজনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
চট্টগ্রাম
গণজাগরণ মঞ্চ ও প্রেসক্লাবে হামলা-অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশ ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগে শুক্রবার রাতে সাড়ে তিন হাজার ব্যক্তিকে আসামি করে চট্টগ্রামে দুটি মামলা হয়েছে।
উপপরিদর্শক (এসআই) বেলাল উদ্দিন শুক্রবার রাতে সন্ত্রাস দমন আইন ও দ্রুতবিচার আইনে কোতোয়ালি থানায় ওই দুই মামলা করেন।
এ সব মামলায় শিবিরের মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি মশরুর হোসাইনসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও অনেককে আসামি করে সন্ত্রাস দমন আইনে একটি মামলা হয়েছে।
দ্রুতবিচার আইনে করা মামলায় শিবিরনেতা মশরুরসহ ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় সাড়ে তিন হাজারব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
সিলেট
শহীদ মিনারে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগে সিলেটে সাড়ে পাঁচ হাজার জনের দুটি মামলা হয়েছে। শনিবার দুপুরে সিলেট কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক জামাল উদ্দিন ও কমর উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন।
শহীদ মিনারে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে একটি এবং পুলিশের ওপর হামলা ও গুলি ছোড়ার অভিযোগে আরেকটি মামলাহয়েছে। ৭০ জনের নাম উল্লেখসহ দুই মামলায় মোট সাড়ে পাঁচ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। দুই মামলায় এখন পর্যন্ত ৫৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
রাজশাহী
রাজশাহীতে গণজাগরণ মঞ্চ ভাঙচুরসহ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ইসলামী ও সমমনা ১২ দলসহ জামায়াত-শিবিরের সাড়ে পাঁচ হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করা হয়।
শুক্রবার রাতেই মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা ও রাজপাড়া থানায় মামলা দুটি দায়ের করা হয়।
শুক্রবার সংঘর্ষ চলাকালে আটক২৬ জনের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে এ দুটি মামলায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার দুপরে তাদের আদালতে চালান দেয়া হয়।
খুলনা
ইসলাম অবমাননা বিরোধী শুক্রবারের মিছিলকে কেন্দ্র করে ওইদিন রাতেই খুলনায় সাড়ে সাত হাজার মুসল্লির বিরুদ্ধেমামলা করা হয়।
সদর থানায় ২৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৪/৫ হাজার এবং সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় ২০ জনের নাম উল্লেখসহ দুই হাজার থেকে ২৫শ’ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা দুটি করা হয়।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার মামলায় আব্দুল্লাহ আল মামুন, দিদারুল হক তামিম, ওসমান গনি, নাজমুল হাসান, সাইফুল ইসলাম, কওসার আলী, রিয়াজউদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়।
বগুড়া
প্রজন্ম মঞ্চ ভাঙচুরের ঘটনায়বগুড়া সদর থানায় উপ-পরিদর্শকআব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে ১৫ হাজারলোকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
বগুড়া সদর থানার ওসি (তদন্ত) রিয়াজ উদ্দীন জানান, একদল উচ্ছৃঙ্খল মুসল্লি সাতমাথায় প্রজন্ম মঞ্চের উপর হামলা করে ভাঙচুর করে এবং পুলিশ বাধা দিলে তাদের উপরও হামলা চালায়।
এ ঘটনার পরপরই পুলিশ সাতমাথা ও থানা রোডে অভিযান চালিয়ে ১৬জনকে আটক করে। এরপর রাতে শহরের বিভিন্নানে অভিযান চালিয়ে আরো ৪জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গাইবান্ধা
জেলার পলাশবাড়ী থানায় জামায়াতের আমিরসহ সাড়ে ৪ হাজার নেতা-কর্মী বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনসহ তিনটি পৃথক মামলা হয়েছে। দায়ের করা মামলায় এ পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
হবিগঞ্জ
জেলার শায়েস্তাগঞ্জ সদর উপজেলায় মহানবীকে (সা.) অবমাননাকারী ব্লগারদের ফাঁসির বিক্ষোভ করায় বিএনপি-জামায়াতের ২৫শ’ নেতা-কর্মীর নামে ৩টি মামলা হয়েছে।
এসব মামলায় শায়েস্তাগঞ্জ থানা জামায়াত সেক্রেটারি ইয়াছির খাঁ (২৭), ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি শামসুল আলম ইকবাল (৩২), পৌর যুবসংহতি নেতা তাজুল ইসলাম তাজু (৩৫) ও পৌর যুবদল সহ-সভাপতি আবুল ফজলকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ।
চাঁদপুর
১২ শতাধিক লোকের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে চাঁদপুরে। শুক্রবার রাতে চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই মাহবুবুর রহমান মোল্লা মামলা দুটি করেন।
এসব মামলায় শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান গাজীসহ ৪২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
জয়পুরহাট
শুক্রবার জনতার মঞ্চে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও আওয়ামী লীগের ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনায় ইসলামী ও সমমনা দলসহ জামায়াত-শিবিরের দুই হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে সদর থানার এসআই হাসমত আলী বাদী হয়ে করা এ মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
জয়পুরহাট সদর থানার ওসি আব্দুর রশিদ বলেন, জুমার নামাজের পর জামাত-শিবিরসহ ইসলামী দলগুলো মিছিল সহকারে জনতার মঞ্চে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং শহরের রাস্তায় টাঙ্গানো আওয়ামী লীগের ব্যানার ফেস্টুন ভাঙচুর করে, ছিঁড়ে ফেলে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
গাজীপুর
শুক্রবার গণজাগরণ মঞ্চে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করার অভিযোগে গাজীপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মনির হোসেনকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় দেড় হাজার লোকের বিরুদ্ধে মামলা করেন গণজাগরণমঞ্চের উদ্যোক্তা জুলিয়াস চৌধুরী।
এ মামলায় গাজীপুর বিজনেস ম্যানেজমেন্ট (বিএম) কলেজের শিক্ষক আসাদুজ্জামান আকাশকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জয়দেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক মিঠু শেখ জানান, ফেসবুকে বিভিন্ন সময়ে উস্কানিমূলক ও উগ্র সম্প্রদায়িক বক্তব্য লেখা ও তা শেয়ার করার অভিযোগেআকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ ও কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে গতকাল বড়লেখায় এক বিক্ষোভ মিছিল
দেশ বেয়াপি তাণ্ডব হামলা শহীদ মিনার ভাঙচুর
জাতীয় পতাকায় অগ্নিসংযুগ-পুলিশ-সাংবাদিকের উপর হামলা সিলেট মদন মোহন কলেজ
ছাত্র লীগ সভাপতি অরুণ দেবনাথ এর উপর
হামলা ও আগামী কালের হরতালের প্রতিবাদের বড়লেখা উপজেলা পৌর ও কলেজ ছাত্র
লীগ স্থানীয় বাজারে গতকাল সন্ধ্যায় এক বিক্ষোভ মিছিল বের করে।বাজার
প্রদক্ষিণ করে বড় মসজিদের সম্মুখে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।মিছিল
শেষে উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি তানিমুল ইসলাম ও ছাত্র লীগের যুগ্ন সাধারণ
সম্পাদক সাইদুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্র লীগের এর
সাবেক যুগ্ন আহবায়ক ছালেহ আহমদ জুয়েল,এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের সাধারণ
সম্পাদক আব্দুল কাদির,পৌর আওয়ামিলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মালিক,সাবেক
ছাত্র নেতা দিলীপ দে,বদরুল আলাম উজ্জল,ছাত্র নেতা সাকিল আহমদ,হাফিজ
আহমদ,ফরহাদ আহমদ,সুমন আহমদ,পৌর সাধারণ সম্পাদক রাহেন পারভেজ রিপন,কলেজ শাখা
সভাপতি ইমরান আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব বাবু,প্রমুখ।
Saturday, February 23, 2013
মাধবকুন্ড সড়ক সংস্কারের দাবিতে বড়লেখা উপজেলা কাঠালতলীতে বি এন পি এর মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত...
উল্লেখ্য বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ জলপ্রপাত মাধবকুন্ড।দেশের দূর দূরান্ত থেকে প্রতিদিন ছোট বড় শত শত গাড়ি আসে। বড় গাড়িগুলো ৮ কিঃ মিঃ সড়ক দিয়ে মাধব কুন্ড পর্যটন স্থানে যেতে না পেরে কাঁঠালতলী বাজারে প্রধান সড়কথেকে ফিরে পর্যটনের উপভোগ না করে অনেকেই ফিরে যান। আবার অনেকেই কাঁঠালতলী বাজারে গাড়ি দাঁড় করে সিএনজি, বেবি, টেম্পু করে পর্যটনে যাচ্ছেন।এবং রাস্তার জন্য এলাকা বাসীর যাতায়াতে সমস্যা হয়।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি জুম্মার নামায এর পর মাধবকুন্ড সড়ক সংস্কারের দাবিতে কাঠাল তলীতে বড়লেখা উপজেলা বি এন পি এর মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বি এনপি সভাপতি আবদুল হাফিজ,
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ্ সদস্য এবং প্রতিমন্ত্রী জনাব এডভোকেট এবাদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারমেন রেহানা বেগম, বি এন পি নেতা ললন আহমেদ উপজেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল এর সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার জামান খালেদ, উপজেলা ছাত্রদল নেতা আবদুল কাদির পলাস, ছাত্রদল নেতা জুয়েল আহমেদ এবং এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারন এখানে উপস্তিত ছিলেন।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি জুম্মার নামায এর পর মাধবকুন্ড সড়ক সংস্কারের দাবিতে কাঠাল তলীতে বড়লেখা উপজেলা বি এন পি এর মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বি এনপি সভাপতি আবদুল হাফিজ,
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ্ সদস্য এবং প্রতিমন্ত্রী জনাব এডভোকেট এবাদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারমেন রেহানা বেগম, বি এন পি নেতা ললন আহমেদ উপজেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল এর সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার জামান খালেদ, উপজেলা ছাত্রদল নেতা আবদুল কাদির পলাস, ছাত্রদল নেতা জুয়েল আহমেদ এবং এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারন এখানে উপস্তিত ছিলেন।
যুদ্ধপাপীদের ফাঁসির দাবিতে বড়লেখায় রক্তরাঙা একুশ পালন........
অমর একুশে বাঙালির জেগে ওঠার দিন। আনত্মর্জাতিক
অর্থাৎ বিশ্বাবাসীর মাতৃভাষা দিবস। তাই একুশে ফেব্রম্নয়ারি গোটা বিশ্ব
জুড়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। তবে বাংলাদেশে
একুশে উদযাপন অন্যরকম। বাঙালির ইতিহাসের এই গৌরবোজ্জ্বল দিনটিতে সব বয়সের
সকল মানুষের গনত্মব্যহয়ে ওঠে শহীদ মিনার। উদ্দেশ্য, ইতিহাসের
অনন্য-অতুলনীয় এক অধ্যায়ের স্রষ্টা রফিক-শফিক-সালাম-জব্বার-বরকতের পবিত্র
স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। নতুন করে শপথ গ্রহণ বীর শহীদদের স্বপ্ন
পূরণের। এবারো এর বিন্দুমাত্র ব্যতিক্রম না ঘটিয়ে বড়লেখায়ও যথাযথ
মর্যাদায় পালিত হয়েছে রক্তরাঙা একুশ।তবে এবার শাহবাগের প্রহন্ম চত্ত্বরের
গণজাগরণ নূতন মাত্রা যোগ করেছে একুশে ফেব্রম্নয়ারিতে। বিভিন্ন
সভা-সমাবেশে বক্তারা যুদ্ধপাপীদের ফাঁসি ও সর্বসত্মরে বাংলা ভাষার প্রচলন ও
শুদ্ধভাবে ভাষা চর্চার জোর দাবি জানিয়েছেন।
একুশের প্রথম প্রহরে স্থানীয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নামে সর্বসত্মরের মানুষের ঢল। প্রথমেই শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাব উদ্দিন। ক্রম অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পুলিশ প্রশাসন, পৌরসভারমেয়র, জনপ্রশাসন, ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পড়্গ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী ও শিশু-কিশোর সংগঠনের নেতৃবন্দ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।
শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরম্নল হাসানের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন শাহাব উদ্দিন এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন।
সকাল ১১টায় শাহাব উদ্দিন এমপির নেতৃত্বে উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ শহরে র্যালি বের করে। র্যালিটি শহরের প্রধানপ্রধান সড়ক প্রদড়্গিণ করে স্থানীয় আহমদ ম্যানশনের সম্মুখে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিনের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহাব উদ্দিন এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন।
সকাল সাড়ে ৮টায় বিশাল প্রভাতফেরি অনুষ্ঠিত হয়। প্রভাতফেরিতে অংশ নেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলাও থানা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা। দিবসটি পালন উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, নাটক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়া বিএনপির বিবদমান দু’টি গ্রম্নপ পৌর শহরে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে চিত্রাংকন, সুন্দর হাতের লেখা ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ইউএনও সৈয়দ আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সাংসদ।
বড়লেখা ডিগ্রি কলেজের শহীদ মিনারে সকালে পুষ্পসত্মবক অর্পণ করেন সংসদ সদস্যসহ কলেজের শিড়্গক ও শিড়্গার্থীরা। পুষ্পসত্মবক অর্পণ শেষে আলোচনা সভা অধ্যড়্গ কাওছার হোসেনের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক যায়েদ আহমদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহাব উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, ইউএনও সৈয়দ আমিনুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা: প্রণয় কুমার দে, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ নেতাতানিমুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম,রেহান পারভেজ রিপন, জুনেদ আহমদ, রিফাত আহমদ প্রমুখ।
নারী শিক্ষা একাডেমী ডিগ্রি কলেজের শিড়্গক ও শিড়্গার্থীদের সমন্বয়ে র্যালি বের হয়। র্যালি শেষে ক্যাম্পাস হলরম্নমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অধ্যড়্গ হারম্ননুর রশীদের সভাপতিত্বে ও উপাধ্যক্ষ একেএম হেলাল উদ্দিনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাংসদ শাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদ এডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, ইউএনও সৈয়দ আমিনুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরম্নল হাসান, সাংসদের পিএস কবিরম্নজ্জামান চৌধুরী,প্রভাষক এমএ হাসান, সাংবাদিক জালাল আহমদ প্রমুখ। সভা শেষে তারম্নণ্য নাট্যগোষ্ঠীর উদ্যোগে একজন মুক্তিযোদ্ধার গল্প ও নাট্যকার সেলিম রেজা রম্ননুর পরিচালনায় মুক্তির সংগ্রাম নাটক মঞ্চায়িত হয়।অতিথিবৃন্দসহ শিড়্গার্থীরা সেটি উপভোগ করেন।
একুশের প্রথম প্রহরে স্থানীয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নামে সর্বসত্মরের মানুষের ঢল। প্রথমেই শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাব উদ্দিন। ক্রম অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পুলিশ প্রশাসন, পৌরসভারমেয়র, জনপ্রশাসন, ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পড়্গ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী ও শিশু-কিশোর সংগঠনের নেতৃবন্দ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।
শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরম্নল হাসানের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন শাহাব উদ্দিন এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন।
সকাল ১১টায় শাহাব উদ্দিন এমপির নেতৃত্বে উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ শহরে র্যালি বের করে। র্যালিটি শহরের প্রধানপ্রধান সড়ক প্রদড়্গিণ করে স্থানীয় আহমদ ম্যানশনের সম্মুখে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিনের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহাব উদ্দিন এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন।
সকাল সাড়ে ৮টায় বিশাল প্রভাতফেরি অনুষ্ঠিত হয়। প্রভাতফেরিতে অংশ নেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলাও থানা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা। দিবসটি পালন উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, নাটক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়া বিএনপির বিবদমান দু’টি গ্রম্নপ পৌর শহরে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে চিত্রাংকন, সুন্দর হাতের লেখা ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ইউএনও সৈয়দ আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সাংসদ।
বড়লেখা ডিগ্রি কলেজের শহীদ মিনারে সকালে পুষ্পসত্মবক অর্পণ করেন সংসদ সদস্যসহ কলেজের শিড়্গক ও শিড়্গার্থীরা। পুষ্পসত্মবক অর্পণ শেষে আলোচনা সভা অধ্যড়্গ কাওছার হোসেনের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক যায়েদ আহমদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহাব উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, ইউএনও সৈয়দ আমিনুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা: প্রণয় কুমার দে, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ নেতাতানিমুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম,রেহান পারভেজ রিপন, জুনেদ আহমদ, রিফাত আহমদ প্রমুখ।
নারী শিক্ষা একাডেমী ডিগ্রি কলেজের শিড়্গক ও শিড়্গার্থীদের সমন্বয়ে র্যালি বের হয়। র্যালি শেষে ক্যাম্পাস হলরম্নমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অধ্যড়্গ হারম্ননুর রশীদের সভাপতিত্বে ও উপাধ্যক্ষ একেএম হেলাল উদ্দিনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাংসদ শাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদ এডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, ইউএনও সৈয়দ আমিনুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরম্নল হাসান, সাংসদের পিএস কবিরম্নজ্জামান চৌধুরী,প্রভাষক এমএ হাসান, সাংবাদিক জালাল আহমদ প্রমুখ। সভা শেষে তারম্নণ্য নাট্যগোষ্ঠীর উদ্যোগে একজন মুক্তিযোদ্ধার গল্প ও নাট্যকার সেলিম রেজা রম্ননুর পরিচালনায় মুক্তির সংগ্রাম নাটক মঞ্চায়িত হয়।অতিথিবৃন্দসহ শিড়্গার্থীরা সেটি উপভোগ করেন।
বড়লেখা উপজেলার কাঁঠাল তলী উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত.....
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কাঠাল তলী উচ্চ বিদ্যালয় কর্তিক এক প্রভাত রেলীর আয়োজন করা হয়।
উক্ত রেলীতে কাঠাল তলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা,ও ছাত্র ছাতি বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সকাল বেলা জাতীয় সংগীত এবং পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ভাষা দিবসের কর্মসূচী শুরু হয়।
প্রভাত রেলী শেষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তৃতা রাখেন কাঠাল তলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরফ উদ্দিন, কাঠাল তলী উচ্চ বিদ্যালয় এর মেনেজিং কমিটির সভাপতি বীর মুক্তি যুদ্ধা কামান্ডার বড়লেখা উপজেলা চেয়ারমেন জনাব সিরাজ উদ্দিন, প্রমুখ।
উক্ত রেলীতে কাঠাল তলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা,ও ছাত্র ছাতি বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সকাল বেলা জাতীয় সংগীত এবং পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ভাষা দিবসের কর্মসূচী শুরু হয়।
প্রভাত রেলী শেষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তৃতা রাখেন কাঠাল তলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরফ উদ্দিন, কাঠাল তলী উচ্চ বিদ্যালয় এর মেনেজিং কমিটির সভাপতি বীর মুক্তি যুদ্ধা কামান্ডার বড়লেখা উপজেলা চেয়ারমেন জনাব সিরাজ উদ্দিন, প্রমুখ।
জুড়ী নদী থেকে এক যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার............
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে নদী থেকে ভাসমান অবস্থায়
হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাতনামা এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১
ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ঘটিকায় পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলা সদরের জুড়ী নদীর শাখা কন্টিনালা নদীতে ভাসমান একটি লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেয়। পুলিশ অকুস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, রশি দিয়ে হাত-পা বাঁধা ও বস্তা দিয়ে মুখ বাঁধা-ইট ঝুলানো অবস্থায় অজ্ঞাতনামা যুবকের (৩০) লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। লাশের শরীরে ফুল প্যান্ট, কালো রংয়ের হাফ শার্ট এবং পায়ে কেডস পরা ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলা সদরের জুড়ী নদীর শাখা কন্টিনালা নদীতে ভাসমান একটি লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেয়। পুলিশ অকুস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, রশি দিয়ে হাত-পা বাঁধা ও বস্তা দিয়ে মুখ বাঁধা-ইট ঝুলানো অবস্থায় অজ্ঞাতনামা যুবকের (৩০) লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। লাশের শরীরে ফুল প্যান্ট, কালো রংয়ের হাফ শার্ট এবং পায়ে কেডস পরা ছিল।
বড়লেখা ডিগ্রী কলেজে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত..........
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বড়লেখা ডিগ্রী কলেজ কর্তিক আয়োজিত এক আলোচনা সভা।
সভায় সভাপতিত্ত করেন বড়লেখা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ কাওছার আহমদ।
প্রদান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মৌলভিবাজার ১ আসনের বড়লেখা-জুড়ি থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ শাহাব উদ্দিন এম,পি,
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলার চেয়ারম্যান উপজেলা মুক্তি যোদ্ধা কামান্ডার জনাব শিরাজ উদ্দিন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ আমিনুর রহমান,বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবু প্রণয় কুমার দে,এবং বড়লেখা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুয়েব আহমদ,এবং কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রী বৃন্দ এতে উপস্থিত ছিলেন।
অমর ২১ আজ.......
আজ ২১ ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এ
দিবস শোকের, গর্বের, অহংকারের। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি যে চেতনায়
উদ্বুদ্ধ হয়ে বাঙালি রক্ত দিয়েমাতৃভাষাকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত
করেছিল, আজ তা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক
সম্প্রদায়ের কাছ থেকে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ইতিহাস বলে, ১৯৪৭ সালের
নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভাষা-বিক্ষোভ শুরু হয়। ১৯৪৮ সালের মার্চে এ নিয়ে সীমিত
পর্যায়ে আন্দোলন হয় এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তার চরমপ্রকাশ
ঘটে।ঐদিন সকালে ছাত্ররা ১৪৪ ধারা অমান্য করে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই”
দাবিতে স্লোগান দিয়ে রাজপথে বেরিয়ে এলে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে
আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালামসহ কয়েকজন তরুণ শহীদ হন।এ ঘটনার
প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ জনতা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের সামনে সমবেত হয়।
ছাত্রদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানাতে পরের দিন ২২ ফেব্রুয়ারি
পুণরায় রাজপথে নেমে আসে। তারা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে শহীদদের
জন্য অনুষ্ঠিত গায়েবি জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। ভাষাশহীদদের স্মৃতিকে অমর
করে রাখার জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি এক রাতের মধ্যে মেডিকেল কলেজ হোস্টেল
প্রাঙ্গণে গড়ে তোলেন একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যা ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালিন
সরকারগুঁড়িয়ে দেয়। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়।
এরপর ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৯ মে
অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষাহিসেবে
স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এভাবেই প্রতিষ্ঠিত হয় আমাদের বাংলা ভাষা। আর বহু
সংগ্রাম ও ত্যাগ-তিতিক্ষায় পূর্ব-পাকিস্তানের মানুষ একুশের চেতনায়
উদ্বুদ্ধ হয়ে পাকিস্তানি শাসকদের পরাস্ত করেই স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ
অর্জন করে।একুশের বিশাল ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের দ্বারা পাকিস্তানি শাসকদের
পরাস্ত করা না গেলে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা খুবইকঠিন হতো। একুশে তাই আমাদের মূল
ওভিত্তিমূল গড়ার মৌলিক এক বিজয়ের নাম। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর একুশে
ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষিত হয়। আর ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে
দিবসটি জাতিসঙ্ঘের সদস্যদেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। আজ একুশে
ফেব্রুয়ারির এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ভাষা আন্দোলনের
শহীদদের। গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করছি ভাষাসৈনিকদের।
সিলেটে প্রাথমিকে বৃত্তি পেল সিলেটে ৩ হাজার ৮৩৬, সারাদেশে ৫৪ হাজার ৫৩০ জন.........
প্রাথমিক শিা সমাপনীতে এবার সিলেটে ৩ হাজার ৮৩৬
জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এবং সারা দেশে বৃত্তি পেয়েছে ৫৪ হাজার ৫৩০
জন শিার্থী। প্রাথমিক ও গণশিা মন্ত্রী আফছারুল
আমীন বুধবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ
করেন। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ২১ হাজার ৯৮০ জন মেধাবৃত্তি (ট্যানেন্টপুল)
এবং ৩১ হাজার ৪৬৮ জন সাধারণ বৃত্তির জন্য মনোনীত হয়েছে। এছাড়া সম্পূরক
বৃত্তি (নির্দিষ্ট ওয়ার্ডে কোটা পূরণ না হলে অন্য ওয়ার্ড থেকে বৃত্তি)
দেয়া হয়েছে এক হাজার ৮২ জনকে। ২০১২ সালের প্রাথমিক শিা সমাপনী পরীার
ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বৃত্তিপ্রাপ্তদের এই তালিকা করা হয়েছে। ২৬ লাখ ৪১
হাজার ৯০৩ জন অংশ নিয়ে এ পরীায় ২৪ লাখ ১৫ হাজার ৩৪১ জনউত্তীর্ণ হয়।
মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিার্থী প্রতি মাসে দুইশ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে দেড়শ টাকা করে পাবে। এছাড়া বৃত্তিপ্রাপ্ত সবাই বছরে এককালীন দেড়শ টাকা করে পাবে।
মন্ত্রী জানান, এ বছর ঢাকা বিভাগে ১৬ হাজার ৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১ হাজার ২১ জন, রাজশাহীতে ৭ হাজার ৬৭৩ জন, খুলনায় ৬ হাজার ১৯৭ জন, রংপুরে ৫ হাজার ৯৮৮ জন, সিলেটে ৩ হাজার ৮৩৬ জন এবং বরিশাল বিভাগে ৩ হাজার ৮০৬ শিার্থী বৃত্তি পেয়েছে।
শিা মন্ত্রণালয় বরাদ্দ বাড়ালে বৃত্তির সংখ্যা আরো বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
অন্যদের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিা সচিব এম এম নিয়াজউদ্দিন, প্রাথমিক শিা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুল কালাম আজাদ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
মোবাইল ফোনে বৃত্তির ফল জানতে মোবাইল ফোনের এসএমএস অপশনে গিয়ে লিখতে হবে উচঊ; তারপর স্পেস দিয়ে ‘থানা কোড’ টাইপ করে আরেকটি স্পেস দিয়ে ‘রোল’ লিখতে হবে। এরপর আরেকটি স্পেস দিয়ে ‘পাসের বছর’ লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। এরপর ফিরতি এসএমএসে ফল পাওয়া যাবে।
মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিার্থী প্রতি মাসে দুইশ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে দেড়শ টাকা করে পাবে। এছাড়া বৃত্তিপ্রাপ্ত সবাই বছরে এককালীন দেড়শ টাকা করে পাবে।
মন্ত্রী জানান, এ বছর ঢাকা বিভাগে ১৬ হাজার ৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১ হাজার ২১ জন, রাজশাহীতে ৭ হাজার ৬৭৩ জন, খুলনায় ৬ হাজার ১৯৭ জন, রংপুরে ৫ হাজার ৯৮৮ জন, সিলেটে ৩ হাজার ৮৩৬ জন এবং বরিশাল বিভাগে ৩ হাজার ৮০৬ শিার্থী বৃত্তি পেয়েছে।
শিা মন্ত্রণালয় বরাদ্দ বাড়ালে বৃত্তির সংখ্যা আরো বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
অন্যদের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিা সচিব এম এম নিয়াজউদ্দিন, প্রাথমিক শিা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুল কালাম আজাদ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
মোবাইল ফোনে বৃত্তির ফল জানতে মোবাইল ফোনের এসএমএস অপশনে গিয়ে লিখতে হবে উচঊ; তারপর স্পেস দিয়ে ‘থানা কোড’ টাইপ করে আরেকটি স্পেস দিয়ে ‘রোল’ লিখতে হবে। এরপর আরেকটি স্পেস দিয়ে ‘পাসের বছর’ লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। এরপর ফিরতি এসএমএসে ফল পাওয়া যাবে।
বড়লেখার সিংহভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার : একুশে ফেব্রুয়ারীর ইতিহাস জানেনা শিক্ষার্থীরা..........
১৯৫২
সালে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বীর শহীদদের আত্মাহুতির ইতিহাস দেশের গ-ি
পেরিয়ে পৌঁছে গেছে বিদেশেও। বিশেষ করে ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কো
২১ ফেব্রম্নয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়ার পর এ
দিনটি পালিত হচ্ছে বিশ্বের ১৯২ টি দেশে। এছাড়া ইউনেস্কো তাদের আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা দিবস (ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাংগুয়েজ ডে-আইএমএলডি) এর
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই প্রথমবারেরমতো আমাদের জাতীয় শহীদ মিনার এবং ভাষা
আন্দোলনের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সন্নিবেশিত করেছে। তাছাড়া জাতিসংঘ ভবনের
অভ্যন্তরে আমাদের জাতীয় শহীদ মিনারের একটি রিপিকা মনুমেন্ট স্থাপনের
বিষয়েও জাতিসংঘ সম্মত হয়েছে। এবারই প্রথম বাঙালির গৌরবগাঁথা ২১
ফেব্রম্নয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পটভূমি, সালাম
বরকত-রফিক-শফিকদের বুকের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস বিশ্ববাসী জানার
সুযোগ পেল। কিন্তু পৃথিবীর নানা প্রান্তের ভাষাভাষী মানুষ এ দিনটিকে
শ্রদ্ধাভরে পালন করলেও মৌলভীবাজারেরবড়লেখার আগামী দিনের দেশ গড়ার
কারিগররা এ সম্পর্কে জানে খুব কমই। আরএই কম জানার কারণ হিসেবে
ছাত্রছাত্রীরা দায়ী করছে স্কুলগুলোর দায়সারা গোছের অনুষ্ঠানআয়োজন। আর
এটুকু হচ্ছে হাতেগোনা কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। বাকি স্কুলগুলো দিনটিকে
পালন করছে শুধুই সরকারি নির্দেশে, বন্ধের দিন হিসেবে।
বড়লেখা উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, উপজেলায় ৭ টি কলেজ, ২৮ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৬ টি, মাদ্রাসা ৩২ টি (ফাযিল ৪ টি, আলিম ১টি, দাখিল ৮ টি, ইবতেদায়ী ৮টি, ক্বওমী ১১ টি) প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৪১ টি (সরকারি ৯৬ টি, রেজি: ৪৬ টি, কমিউনিটি ১ টি, কি-ারগার্টেন ৫০ টি) রয়েছে। তন্মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৪ টি। এমপিওভুক্ত ১০ টি মাদ্রাসার মধ্যে একটিতেও নেই শহীদ মিনার। হাতেগোনা কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হলেও সেগুলোও দায়সারাভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। এর বাস্তব চিত্র পাওয়া গেলো শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে। শহীদ মিনার ঘেঁষেই নির্মাণ করা হয়েছে দোকানকোটা। যে কোন সময় মাটি ধ্বসে শহীদ মিনারটি পড়ে যাবার উপক্রম। কিন্তু কর্তৃপক্ষের যেনো নজরই নেই এদিকে।
একই চিত্র আরো উপজেলার আরো কয়েকটি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ২১ শে ফেব্রম্নয়ারি উপলক্ষে বেশিরভাগ স্কুলেই নামমাত্র অনুষ্ঠান পালন করা হয়ে থাকে। আবার অনেক স্কুলই ২১ শে ফেবু্রয়ারির দিন থাকে বন্ধ। শুধু তাই নয়, এখানকার কিন্ডার গার্টেনগুলোতেও নেই শহীদ মিনার। উপজেলার সবক’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিংহভাগ শিক্ষার্থীই মাতৃভাষার ইতিহাস জানে না। ৫২’র ভাষা আন্দোলনে বড়লেখা উপজেলার তৎকালীন ছাত্রদের ধর্মঘটসহ অবদানের তথ্যটিও জানে না শিক্ষার্থীরা।
গতকাল বুধবার উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসের কোথাও শহীদ মিনার’র চিহ্নই নেই। বড়লেখা সদরের প্রধান দু’টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যথেষ্ট জায়গা থাকা সত্ত্বেও শহীদ মিনার নির্মাণের কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি অদ্যাবধি। এ দু’টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কিছু অংশ স্কুল মাঠে প্যারেডে অংশ নেয়া ছাড়া আর কিছু করতে দেখা যায়নি। এ সম্পর্কে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকগণ জানান, ক্যাম্পাসে শহীদ মিনার করার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। জায়গা বাড়িয়ে আগামীতে শহীদ মিনার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ জানান, ২১ শে ফেব্রম্নয়ারি উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
বড়লেখার সিংহভাগ, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়াদের কাছে একুশ ফেব্রম্নয়ারি মানে শুধুই ছুটির দিন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও রয়েছে অন্ধকারে। এ সম্পর্কে পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী পি.সি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র রম্নবেল আহমদ জানায়, আমি এখানে ক্লাসথেকে পড়ছি। ভর্তি হওয়ার পর কখনোই একুশে ফেব্রম্নয়ারি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে দেখিনি। প্রতি বছর এই দিনে আমাদের স্কুল ছুটি থাকে। শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার অনুষ্ঠানটি টিভিতে দেখি, তবে শহীদ মিনারে যাওয়া হয়নি।
কথা হয় একই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র কাওছার আহমদ ও ৯ম শ্রেণীর ছাত্রমাহফুজ আহমদের সাথে। দুজনেই সমস্বরে বলে, স্কুলে যে কোনো অনুষ্ঠান হলে আমাদের ভালো লাগে। কিন্তু স্কুলে এ দিবসটি উপলক্ষে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়না। শুধুমাত্র সকালে স্কুলমাঠে প্যারেডে অংশগ্রহণ ছাড়া।
পৌর শহরের বড়লেখা মোহাম্মদীয়া ফাযিল মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণীর ছাত্র দেলোয়ার হোসেন জানায়, আমাদের মাদ্রাসায় মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি কখনোই। কোনো শহীদ মিনারও নেই। দিনটি আমরা ছুটির দিন হিসেবে কাটাই। এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাও: নিজাম উদ্দিন জানান, বিগত বছরগুলোতে ২১শে ফেব্রম্নয়ারি উপলক্ষে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি। তবে এবার হবে।
নারী শিক্ষা একাডেমী ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী সুফিয়া বেগম জানায়, কলেজে পড়াশুনা করে আসছি দীর্ঘদিন থেকে। কিন্তু গত দুই/এক বছর থেকে একুশে ফেব্রম্নয়ারি উপলক্ষে অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। কিন্তু কলেজ ক্যাম্পাসে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবি আজো উপেক্ষিত।
বড়লেখা ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী অপরাজিতা দাস জানায়, কলেজ শহীদ মিনারথাকলেও তা অবহেলিত। আর অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলেও তা নামেমাত্র।
এ ব্যাপারে বড়লেখা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সমীর কান্তি দেব জানান, উপজেলার অন্তত ১০ টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। বাকিগুলোতে হয়নি। তবে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান শিক্ষকদের নিদের্শনা দেয়া আছে। কিন্তু অনেকেই তা মানছেন না।
মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পঞ্চানন বালা জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শহীদ মিনার নির্মাণের নির্দেশনা রয়েছে। তবে ঠিক কি কারণে তা হচ্ছে না খোঁজ নিয়ে দেখবো।
মৌলভীবাজার জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ জানান, এ সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে। সে অনুযায়ী প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করার কথা।
বড়লেখা উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, উপজেলায় ৭ টি কলেজ, ২৮ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৬ টি, মাদ্রাসা ৩২ টি (ফাযিল ৪ টি, আলিম ১টি, দাখিল ৮ টি, ইবতেদায়ী ৮টি, ক্বওমী ১১ টি) প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৪১ টি (সরকারি ৯৬ টি, রেজি: ৪৬ টি, কমিউনিটি ১ টি, কি-ারগার্টেন ৫০ টি) রয়েছে। তন্মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৪ টি। এমপিওভুক্ত ১০ টি মাদ্রাসার মধ্যে একটিতেও নেই শহীদ মিনার। হাতেগোনা কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হলেও সেগুলোও দায়সারাভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। এর বাস্তব চিত্র পাওয়া গেলো শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে। শহীদ মিনার ঘেঁষেই নির্মাণ করা হয়েছে দোকানকোটা। যে কোন সময় মাটি ধ্বসে শহীদ মিনারটি পড়ে যাবার উপক্রম। কিন্তু কর্তৃপক্ষের যেনো নজরই নেই এদিকে।
একই চিত্র আরো উপজেলার আরো কয়েকটি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ২১ শে ফেব্রম্নয়ারি উপলক্ষে বেশিরভাগ স্কুলেই নামমাত্র অনুষ্ঠান পালন করা হয়ে থাকে। আবার অনেক স্কুলই ২১ শে ফেবু্রয়ারির দিন থাকে বন্ধ। শুধু তাই নয়, এখানকার কিন্ডার গার্টেনগুলোতেও নেই শহীদ মিনার। উপজেলার সবক’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিংহভাগ শিক্ষার্থীই মাতৃভাষার ইতিহাস জানে না। ৫২’র ভাষা আন্দোলনে বড়লেখা উপজেলার তৎকালীন ছাত্রদের ধর্মঘটসহ অবদানের তথ্যটিও জানে না শিক্ষার্থীরা।
গতকাল বুধবার উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসের কোথাও শহীদ মিনার’র চিহ্নই নেই। বড়লেখা সদরের প্রধান দু’টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যথেষ্ট জায়গা থাকা সত্ত্বেও শহীদ মিনার নির্মাণের কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি অদ্যাবধি। এ দু’টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কিছু অংশ স্কুল মাঠে প্যারেডে অংশ নেয়া ছাড়া আর কিছু করতে দেখা যায়নি। এ সম্পর্কে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকগণ জানান, ক্যাম্পাসে শহীদ মিনার করার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। জায়গা বাড়িয়ে আগামীতে শহীদ মিনার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ জানান, ২১ শে ফেব্রম্নয়ারি উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
বড়লেখার সিংহভাগ, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়াদের কাছে একুশ ফেব্রম্নয়ারি মানে শুধুই ছুটির দিন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও রয়েছে অন্ধকারে। এ সম্পর্কে পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী পি.সি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র রম্নবেল আহমদ জানায়, আমি এখানে ক্লাসথেকে পড়ছি। ভর্তি হওয়ার পর কখনোই একুশে ফেব্রম্নয়ারি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে দেখিনি। প্রতি বছর এই দিনে আমাদের স্কুল ছুটি থাকে। শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার অনুষ্ঠানটি টিভিতে দেখি, তবে শহীদ মিনারে যাওয়া হয়নি।
কথা হয় একই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র কাওছার আহমদ ও ৯ম শ্রেণীর ছাত্রমাহফুজ আহমদের সাথে। দুজনেই সমস্বরে বলে, স্কুলে যে কোনো অনুষ্ঠান হলে আমাদের ভালো লাগে। কিন্তু স্কুলে এ দিবসটি উপলক্ষে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়না। শুধুমাত্র সকালে স্কুলমাঠে প্যারেডে অংশগ্রহণ ছাড়া।
পৌর শহরের বড়লেখা মোহাম্মদীয়া ফাযিল মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণীর ছাত্র দেলোয়ার হোসেন জানায়, আমাদের মাদ্রাসায় মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি কখনোই। কোনো শহীদ মিনারও নেই। দিনটি আমরা ছুটির দিন হিসেবে কাটাই। এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাও: নিজাম উদ্দিন জানান, বিগত বছরগুলোতে ২১শে ফেব্রম্নয়ারি উপলক্ষে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি। তবে এবার হবে।
নারী শিক্ষা একাডেমী ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী সুফিয়া বেগম জানায়, কলেজে পড়াশুনা করে আসছি দীর্ঘদিন থেকে। কিন্তু গত দুই/এক বছর থেকে একুশে ফেব্রম্নয়ারি উপলক্ষে অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। কিন্তু কলেজ ক্যাম্পাসে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবি আজো উপেক্ষিত।
বড়লেখা ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী অপরাজিতা দাস জানায়, কলেজ শহীদ মিনারথাকলেও তা অবহেলিত। আর অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলেও তা নামেমাত্র।
এ ব্যাপারে বড়লেখা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সমীর কান্তি দেব জানান, উপজেলার অন্তত ১০ টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। বাকিগুলোতে হয়নি। তবে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান শিক্ষকদের নিদের্শনা দেয়া আছে। কিন্তু অনেকেই তা মানছেন না।
মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পঞ্চানন বালা জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শহীদ মিনার নির্মাণের নির্দেশনা রয়েছে। তবে ঠিক কি কারণে তা হচ্ছে না খোঁজ নিয়ে দেখবো।
মৌলভীবাজার জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ জানান, এ সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে। সে অনুযায়ী প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করার কথা।
Wednesday, February 20, 2013
বড়লেখায় সক্রিয় হচ্ছে জঙ্গী সংগঠন হিযবুত তওহীদ..........!!
বড়লেখায় সক্রিয় হয়ে উঠছে পুলিশের তালিকায়
জঙ্গী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত হিযবুত তওহীদের সদস্যরা। বেশ কিছুদিন আগে
নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সদস্যরা উপজেলায় সিডি ও
জিহাদি বই বিক্রি করেছে বলে সূত্র জানিয়েছে। গত শনিবার দুপুরে অজ্ঞাত
পরিচয়ের এক যুবক বড়লেখা পৌর শহরে একটি অখ্যাত পত্রিকার আড়ালে হিযবুত
তওহীদের প্রচারপত্র বিলি করছিল। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও পুলিশ তাকে
ছেড়ে দিয়েছে। প্রত্যড়্গদর্শীসহ একাধিক সূত্র জানায়, গত শনিবার সকাল
থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবক প্রায় অন্তত ১ হাজার পত্রিকার কপি নিয়ে
হকারের মতো ‘দৈনিক নিউজ’ নামের একটি অখ্যাত পত্রিকার আড়ালে প্রচারপত্র
বিলি করছিল। পত্রিকার তৃতীয় পৃষ্ঠায় ‘হেযবুত তওহীদের ১৮তম
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলড়্গে বিশেষ ক্রোড়পত্র, প্রতিষ্ঠাতা এমামুযযামান
মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী’ লেখাসংবলিত প্রচারপত্রটি বিলি করে। পৌর শহরের
বিভিন্ন দোকানসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ওই যুবকটি প্রচারপত্র বিলি করে
বলে সূত্র জানায়। অনেকেই তার নাম জিজ্ঞাসা করলেও সে কিছুই জানাইনি। তবে সে
কক্সবাজার থেকে এখানে এসেছে বলে বিভিন্ন দোকানের ব্যবসায়ীদের জানিয়েছে।
বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালে এসআই দীলিপ কান্ত নাথের নেতৃত্বে একদল পুলিশ
পৌর শহরের স্বাদ মিষ্টিঘরের সামনে যায়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এসআই দীলিপ
কান্ত নাথ তাকে ছেড়ে দেন। এ ব্যাপারে এসআই দীলিপ কান্ত নাথ বলেন, আমরা
ঘটনাস্থলেগেলেও তাকে সাংবাদিক মনে করে পদড়্গেপ নেইনি। তবে বিষয়টি ডিবি
পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
ওই প্রচারপত্রে হিযবুত তওহীদের সংগ্রাম কিসের লড়্গ্যে, এমামুযযামান মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর সংড়্গিপ্ত পরিচয়, প্রকৃত এসলামের সন্ধান লাভ, আল্লাহ হিযবুত তওহীদ গঠন করলেন, মানবজাতির প্রতি তওহীদের আহবান, দাজ্জালের বিরম্নদ্ধে দাঁড়ালো হিযবুত তওহীদ, হিযবুত তওহীদের প্রত্যেকে জীবন্ত অবস্থাতেই দুই শহীদ, আল্লাহর মো’জেজা: হিযুবত তওহীদের বিজয় ঘোষণা, তওহীদের কয়েকটি মূলনীতি, হিযবুত তওহীদের কর্মসূচি : দ্বীন প্রতিষ্ঠার একমাত্রকর্মসূচি এবং আল্লাহর দেয়া ৫ দফা কর্মসূচির ব্যাখ্যা ইত্যাদি পয়েন্টআকারে লেখা ছিল। সবগুলো ম্যাসেজের একটিই উদ্দেশ্য মানুষকে জিহাদের দিকে অগ্রসর করা। বিষয়টি নিয়ে পুরো উপজেলায় তোলপাড় চলছে। অনেকে নানা সমালোচনাও করছেন।
পত্রিকার নিচে যোগাযোগের নাম্বার দেয়া ছিল ০১৬৭০-১৭৪৬৪৩, ০১৭১১-০০৫০২৫ এবং ওয়েভ সাইট িি.িযবুনঁঃঃধযিববফ.পড়স। যোগাযোগ করলে সংগঠনের ঢাকা অফিস বলে জানান অপরপ্রান্ত থেকে ফোন রিসিভকারী জনৈক ব্যক্তি।
পত্রিকার রেজি : ডিএ ৬০৩১, বর্ষ-২, সংখ্যা-২০ লেখা ছিল ২য় পৃষ্ঠার ওপরে। পত্রিকাটির সম্পাদক হুমায়ুন কবির, প্রকাশক বাবুল আকতার মঞ্জুর, ১৪৭ বেউথা রোড, মানিকগঞ্জ-১৮০০ থেকে প্রকাশিত ও বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ২ আর.কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত। পত্রিকায় প্রকাশের সত্যতাযাচাই করতে যোগাযোগ করলে প্রকাশক বাবুল আক্তার মঞ্জুর এ প্রতিনিধিকে জানান, এটা একটি বিজ্ঞাপন। এরপর আর কথা বলতে রাজি হননি।
ওই প্রচারপত্রে হিযবুত তওহীদের সংগ্রাম কিসের লড়্গ্যে, এমামুযযামান মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর সংড়্গিপ্ত পরিচয়, প্রকৃত এসলামের সন্ধান লাভ, আল্লাহ হিযবুত তওহীদ গঠন করলেন, মানবজাতির প্রতি তওহীদের আহবান, দাজ্জালের বিরম্নদ্ধে দাঁড়ালো হিযবুত তওহীদ, হিযবুত তওহীদের প্রত্যেকে জীবন্ত অবস্থাতেই দুই শহীদ, আল্লাহর মো’জেজা: হিযুবত তওহীদের বিজয় ঘোষণা, তওহীদের কয়েকটি মূলনীতি, হিযবুত তওহীদের কর্মসূচি : দ্বীন প্রতিষ্ঠার একমাত্রকর্মসূচি এবং আল্লাহর দেয়া ৫ দফা কর্মসূচির ব্যাখ্যা ইত্যাদি পয়েন্টআকারে লেখা ছিল। সবগুলো ম্যাসেজের একটিই উদ্দেশ্য মানুষকে জিহাদের দিকে অগ্রসর করা। বিষয়টি নিয়ে পুরো উপজেলায় তোলপাড় চলছে। অনেকে নানা সমালোচনাও করছেন।
পত্রিকার নিচে যোগাযোগের নাম্বার দেয়া ছিল ০১৬৭০-১৭৪৬৪৩, ০১৭১১-০০৫০২৫ এবং ওয়েভ সাইট িি.িযবুনঁঃঃধযিববফ.পড়স। যোগাযোগ করলে সংগঠনের ঢাকা অফিস বলে জানান অপরপ্রান্ত থেকে ফোন রিসিভকারী জনৈক ব্যক্তি।
পত্রিকার রেজি : ডিএ ৬০৩১, বর্ষ-২, সংখ্যা-২০ লেখা ছিল ২য় পৃষ্ঠার ওপরে। পত্রিকাটির সম্পাদক হুমায়ুন কবির, প্রকাশক বাবুল আকতার মঞ্জুর, ১৪৭ বেউথা রোড, মানিকগঞ্জ-১৮০০ থেকে প্রকাশিত ও বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ২ আর.কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত। পত্রিকায় প্রকাশের সত্যতাযাচাই করতে যোগাযোগ করলে প্রকাশক বাবুল আক্তার মঞ্জুর এ প্রতিনিধিকে জানান, এটা একটি বিজ্ঞাপন। এরপর আর কথা বলতে রাজি হননি।
বড়লেখার সংরতি বনাঞ্চল থেকে এক বছরে ৩ শতাধিক হরিণ শিকার........
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১
মৌলভীবাজারের বড়লেখার সংরতি বনাঞ্চলথেকে শিকারিরা গুলি করে অবাধে হরিণ শিকার করছে। এক বছরে তিন শতাধিক হরিণ শিকার করে জবাই করা হলেও বন বিভাগ কিছুই জানে না বলে জানিয়েছে। অবাধে হরিণ শিকারের ফলে সংরতি বনাঞ্চল ভবিষ্যতে হরিণশূন্য হয়ে পড়বে বলে পরিবেশবাদী সংগঠন ও সচেতনমহল আশঙ্কা করছে।
এলাকাবাসীসহ একাধিক সূত্র জানায়, এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা ও জনপ্রতিনিধিসহ একদল শিকারি বন্দুক দিয়ে বড়লেখার সংরতি বনাঞ্চলের হরিণ শিকার করে চলেছেন। তাদের তাণ্ডবে হরিণসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসছে। কোনোভাবেই শিকারিদের উৎপাত বন্ধ করা যাচ্ছে না। হরিণ শিকার বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনও কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পাথারিয়া বনের ডিমাই এলাকা থেকে হরিণ শিকার করেন বলে সূত্র জানায়। এ ছাড়া ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে বিয়ানীবাজারের কয়েক ব্যক্তি শাহবাজপুর চা বাগান এলাকায় হরিণ শিকার করতে গেলে বাগানের শ্রমিকেরা হরিণ শিকারিদের আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশের এসআই রজব আলী পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। কিন্তু শিকার করা হরিণসহ অপরাধীদের পুলিশ ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। তবে ঘটনায় পুলিশ দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর গ্রামের ফৈয়াজ আলীর ছেলে নাসির উদ্দিন এবং চা বাগান এলাকার খাসিয়া সেকেন্ডিনের ছেলে বিভাসকে আটক করে। পরে তাদেরও ছেড়ে দেয় পুলিশ।
এলাকাবাসী জানান, বড়লেখা সদর ইউনিয়নের ডিমাই এলাকার দুই ইউপি সদস্য, সুজানগরের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা এবং স্থানীয় ও পাশের উপজেলার শিকারিরা দীর্ঘ দিন ধরে হরিণ শিকার করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় বসবাসকারী আদিবাসী খাসিয়ারাও হরিণ শিকারে সহায়তা করে থাকে।
জানা যায়, শিকারিরা রাতে পাথারিয়া বনাঞ্চল এলাকায় লুকিয়ে থাকে। ভোর হওয়ার সাথে সাথে হরিণ খাবারের সন্ধানে বের হলেই তখন বন্দুক দিয়ে শিকার করে জবাই করা হয়। ২০১২ সালের জানুয়ারি থেকে এ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্দুক দিয়ে তিন শতাধিক হরিণশিকার করা হয়েছে। শিকারিদের তাণ্ডবে বনাঞ্চল ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসছে হরিণ।
এ ব্যাপারে বড়লেখা পৌরসভার কাউন্সিলর জেহিন সিদ্দিকী বলেন, এভাবেহরিণ শিকার হলে সংরতি বনাঞ্চল হরিণশূন্য হয়ে পড়বে। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদপে নেয়ার জন্য তিনি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনের হস্তপে কামনা করেন। জুরী রেঞ্জ-২ এর আওতাধীন সংরতি পাথারিয়া বনাঞ্চলে দীর্ঘ দিন হরিণ শিকারের মহোৎসব চলে এলেও বন বিভাগ এ ব্যাপারে কিছুই জানে না। জুরী রেঞ্জ-২ (বড়লেখা)বন কমকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, কোথায় হরিণ শিকার হচ্ছে তা তিনি জানেন না।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, কোনোভাবেই হরিণ শিকার করার নিয়ম নেই।কেউ অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখার সংরতি বনাঞ্চলথেকে শিকারিরা গুলি করে অবাধে হরিণ শিকার করছে। এক বছরে তিন শতাধিক হরিণ শিকার করে জবাই করা হলেও বন বিভাগ কিছুই জানে না বলে জানিয়েছে। অবাধে হরিণ শিকারের ফলে সংরতি বনাঞ্চল ভবিষ্যতে হরিণশূন্য হয়ে পড়বে বলে পরিবেশবাদী সংগঠন ও সচেতনমহল আশঙ্কা করছে।
এলাকাবাসীসহ একাধিক সূত্র জানায়, এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা ও জনপ্রতিনিধিসহ একদল শিকারি বন্দুক দিয়ে বড়লেখার সংরতি বনাঞ্চলের হরিণ শিকার করে চলেছেন। তাদের তাণ্ডবে হরিণসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসছে। কোনোভাবেই শিকারিদের উৎপাত বন্ধ করা যাচ্ছে না। হরিণ শিকার বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনও কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পাথারিয়া বনের ডিমাই এলাকা থেকে হরিণ শিকার করেন বলে সূত্র জানায়। এ ছাড়া ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে বিয়ানীবাজারের কয়েক ব্যক্তি শাহবাজপুর চা বাগান এলাকায় হরিণ শিকার করতে গেলে বাগানের শ্রমিকেরা হরিণ শিকারিদের আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশের এসআই রজব আলী পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। কিন্তু শিকার করা হরিণসহ অপরাধীদের পুলিশ ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। তবে ঘটনায় পুলিশ দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর গ্রামের ফৈয়াজ আলীর ছেলে নাসির উদ্দিন এবং চা বাগান এলাকার খাসিয়া সেকেন্ডিনের ছেলে বিভাসকে আটক করে। পরে তাদেরও ছেড়ে দেয় পুলিশ।
এলাকাবাসী জানান, বড়লেখা সদর ইউনিয়নের ডিমাই এলাকার দুই ইউপি সদস্য, সুজানগরের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা এবং স্থানীয় ও পাশের উপজেলার শিকারিরা দীর্ঘ দিন ধরে হরিণ শিকার করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় বসবাসকারী আদিবাসী খাসিয়ারাও হরিণ শিকারে সহায়তা করে থাকে।
জানা যায়, শিকারিরা রাতে পাথারিয়া বনাঞ্চল এলাকায় লুকিয়ে থাকে। ভোর হওয়ার সাথে সাথে হরিণ খাবারের সন্ধানে বের হলেই তখন বন্দুক দিয়ে শিকার করে জবাই করা হয়। ২০১২ সালের জানুয়ারি থেকে এ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্দুক দিয়ে তিন শতাধিক হরিণশিকার করা হয়েছে। শিকারিদের তাণ্ডবে বনাঞ্চল ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসছে হরিণ।
এ ব্যাপারে বড়লেখা পৌরসভার কাউন্সিলর জেহিন সিদ্দিকী বলেন, এভাবেহরিণ শিকার হলে সংরতি বনাঞ্চল হরিণশূন্য হয়ে পড়বে। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদপে নেয়ার জন্য তিনি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনের হস্তপে কামনা করেন। জুরী রেঞ্জ-২ এর আওতাধীন সংরতি পাথারিয়া বনাঞ্চলে দীর্ঘ দিন হরিণ শিকারের মহোৎসব চলে এলেও বন বিভাগ এ ব্যাপারে কিছুই জানে না। জুরী রেঞ্জ-২ (বড়লেখা)বন কমকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, কোথায় হরিণ শিকার হচ্ছে তা তিনি জানেন না।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, কোনোভাবেই হরিণ শিকার করার নিয়ম নেই।কেউ অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভিক্ষুকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২০ লাখ রুপি.........
সম্প্রতি ট্রেনযাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে
পুলিশ এক অভিযানে ওই রেলস্টেশন থেকে ১৮ জন ভিক্ষুককে গ্রেফতার করে। তাদের
মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধী জনৈক ধনী ভিক্ষুকও ছিলেন। তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে
আছে ২০ লাখ শ্রীলংকান রুপি। শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোর শহরতলীর রাগামা
এলাকার একটি রেলস্টেশন থেকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার এ ভিক্ষুক তিনটি
অটোরিক্সা ও একটি ভ্যানগাড়ির মালিক।
গাড়িগুলো ভাড়ায় খাটে এবং প্রতিদিন তার উল্লেখযোগ্য একটি আয় হয় এ খাত
থেকে। যখন তাকে আটক করা হয় তার আগের মাত্র দুই ঘণ্টা সময়ে ভিক্ষে করে
তিনি সংগ্রহ করেন ৪ হাজার রুপি।
জানা গেছে, প্রতিদিন ভিক্ষা করার জন্যনিজের ভ্যানে করে ওই রেলস্টেশনে আসেন তিনি। সারাদিন ভিক্ষাবৃত্তির সময়ে নোংরা-ছিন্ন লেবাসে থাকলেও বাকি সময়টা বাড়িতে ধোপ-দূরস্ত পোশাকেই থাকেন তিনি।
শ্রীলংকার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ কুরুনেগালা’র নারাম্মালা এলাকার অধিবাসী এবং বর্তমানে কলম্বো শহরতলীর এই বাসিন্দা বাসিন্দা দীর্ঘদিন যাবত এ পেশায় আছেন। তবে তারনাম প্রকাশ করেনি পত্রিকা।
কলম্বো আদালতে সোপর্দ করা হলে গ্রেফতার ভিক্ষুকদের প্রত্যেককে ২হাজার রুপি করে জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেন ম্যাজিস্ট্রেট।
জানা গেছে, প্রতিদিন ভিক্ষা করার জন্যনিজের ভ্যানে করে ওই রেলস্টেশনে আসেন তিনি। সারাদিন ভিক্ষাবৃত্তির সময়ে নোংরা-ছিন্ন লেবাসে থাকলেও বাকি সময়টা বাড়িতে ধোপ-দূরস্ত পোশাকেই থাকেন তিনি।
শ্রীলংকার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ কুরুনেগালা’র নারাম্মালা এলাকার অধিবাসী এবং বর্তমানে কলম্বো শহরতলীর এই বাসিন্দা বাসিন্দা দীর্ঘদিন যাবত এ পেশায় আছেন। তবে তারনাম প্রকাশ করেনি পত্রিকা।
কলম্বো আদালতে সোপর্দ করা হলে গ্রেফতার ভিক্ষুকদের প্রত্যেককে ২হাজার রুপি করে জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেন ম্যাজিস্ট্রেট।
কিডনীর কয়েকটি শত্রু চিনে রাখুন.......
কিডনী আমাদের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।
আমারা প্রায়শই এই কিডনীর উপর হরহামেশা অত্যাচার চালাই। ভাবছেন কিভাবে?
তাহলে জেনে রাখা ভাল যে, কি ভাবে আমরা না জেনেই শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ
অঙ্গটির ক্ষতি করছি। নিচের কারোন গুলোই কিডনীর জন্য হুমকি স্বরুপ।
১) মুত্রচাপ ধরে রাখা
২) পেসাবের আশংকায় পানি পান কম করা
৩) এক ওয়াক্তের অজুতে পরের একাধিক ওয়াক্তের নামাজ আদায়ের চেষ্টা করা
৪) মুত্রের বর্ণ ও ঘণত্বের প্রতি উদাসীন থাকা
৫) ব্যথানাশক ওষুধের অপপ্রয়োগ
পালনীয়-
৬) মুত্রবর্ণ যথাসম্ভব বর্ণহীন রাখতে প্রয়োজনীয় পরিমান পানিপানকরা। কর্মস্থল ও পেশাভেদে পানির পরিমানে তারতম্য হওয়াই স্বাভাবিক।
৭) সঠিক মানে পানিপান করা হলে দু\’ঘন্টার কম ব্যবধানে মুত্রত্যাগের প্রয়োজন হয়
৮) প্রতি নামাজেই নতুন অজু করুন- গুনাহ মাফের সুযোগ নিন!
৯) প্রতি মাসে কমপক্ষে তিনটি রোজা রাখা- এতে পূরো দেহের সকল অঙ্গ পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়!
সুস্থতা কত বড় নিয়ামত- অসুস্থ হলে টের পাওয়া যায়…
সূত্র: অলটাইম নিউজ
১) মুত্রচাপ ধরে রাখা
২) পেসাবের আশংকায় পানি পান কম করা
৩) এক ওয়াক্তের অজুতে পরের একাধিক ওয়াক্তের নামাজ আদায়ের চেষ্টা করা
৪) মুত্রের বর্ণ ও ঘণত্বের প্রতি উদাসীন থাকা
৫) ব্যথানাশক ওষুধের অপপ্রয়োগ
পালনীয়-
৬) মুত্রবর্ণ যথাসম্ভব বর্ণহীন রাখতে প্রয়োজনীয় পরিমান পানিপানকরা। কর্মস্থল ও পেশাভেদে পানির পরিমানে তারতম্য হওয়াই স্বাভাবিক।
৭) সঠিক মানে পানিপান করা হলে দু\’ঘন্টার কম ব্যবধানে মুত্রত্যাগের প্রয়োজন হয়
৮) প্রতি নামাজেই নতুন অজু করুন- গুনাহ মাফের সুযোগ নিন!
৯) প্রতি মাসে কমপক্ষে তিনটি রোজা রাখা- এতে পূরো দেহের সকল অঙ্গ পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়!
সুস্থতা কত বড় নিয়ামত- অসুস্থ হলে টের পাওয়া যায়…
সূত্র: অলটাইম নিউজ
কুলাউড়ায় ইয়াকুবিয়া হিফজুলকুরআন বোর্ডের বৃত্তি প্রদান.......
আলালপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় গত ১৭ ফেব্র“য়ারী
রোববার সকাল ১১টায় ইয়াকুবিয়া হিফজুল কুরআন বোর্ড কুলাউড়া উপজেলার
বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বোর্ডের উপজেলা সভাপতি হাফিজ মোঃ
অলিউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ও রহিমা আমিন
হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফিজ শামছুল ইসলামের পরিচালনায়
অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন আলইসলাহ
উপজেলা সভাপতি এবং বোর্ডের উপদেষ্ঠা হাফিজ মহসীন খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন
ইয়াকুবিয়া হিফজুল কুরআন বোর্ডের উপদেষ্ঠা পুরশাই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা
হাফিজ আনছার উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন বোর্ডের প্রচার সম্পাদক হাফিজ আব্দুস
ছালাম, আলী হাছান ফরিদ, আব্দুল হালিম, শামছুলইসলাম, উপজেলা তালামীযের
সাধারণ সম্পাদক এহছানুল মাহমুদ নাজিম, আব্দুস ছত্তার। পরে বৃত্তিপ্রাপ্ত
ছাত্রদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান করা হয়। বৃত্তিপ্রাপÍা হলেন, প্রথম গ্রেডে
আলালপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসারসাইদুল ইসলাম, তুহিন আহমদ, ভাটেরা দারুছুন্নাহ
মাদ্রাসার আব্দুল মুমিন, মনছবিয়া ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার রাশেদ
আহমদ, বরমচাল হাজী দরবেশ চরবর হাফিজিয়া মাদ্রাসার হাফিজুর রহমান,
নিজামিয়া বিশকুটি এতিমখানার রুহুল আমিন তায়েফ ও শাহীন আহমদ। ২য় গ্রেড
পেয়েছেন আলাপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসার জুনেদ আহমদ, ভাটেরা দারুছুন্নাহ
হাফিজিয়া মাদ্রাসার জাবেদ আহমদ, মনছবিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার মামুনুর
রশীদ, নিজামিয়া বিশকুটি এতিমখানার মোঃ কাওছার খান, পুরশাই তাহফিজুল কুরআন
মাদ্রাসার আমিনুল ইসলাম। পরে প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথিবৃন্দ ছাত্রদের
মধ্যে বৃত্তি প্রদান করেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)




























