জেলা সংবাদাতা :
নামমাত্র ব্যয়ে কাতারে অভিবাসনের সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। মাত্র ২০ হাজার টাকায় কাতারে যেতে পারবে বাংলাদেশি শ্রমিকরা। আগামী ৩ মাসের মধ্যে এবিষয়ে বাংলাদেশের প্রস্তাবের অনুস্বাক্ষর করবে কাতার। দক্ষিণ কোরিয়া এবং মালয়েশিয়ার পর 'জি টু জি' প্রক্রিয়ায় তৃতীয় দেশ হিসেবে কাতার বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিবে। এতে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি অভিবাসন ব্যয় কল্পানাতীতভাবে হ্রাস পাবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব জাফর আহমেদ খান গতকাল দৈনিক ডেসটিনিকে জানান, আগামী মাস থেকে 'জি টু জি' প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় যাওয়া শুরু করবে বাংলাদেশি শ্রমিকরা। ইতিমধ্যে তারা প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেছে। পর্যায়ক্রমে মালয়েশিয়ায় ১১ হাজার শ্রমিক যাবে। পরবর্তীতে একই নিয়মে লটারি করে মালয়েশিয়ায় ৫ লাখ কর্ম পাঠানো হবে। সরকারিভাবে জনশক্তি রফতানি সফল হওয়ার পর যথাযথ নীতি মানলে বেসরকারি রিক্রুটিং
এজেন্সিরাও জনশক্তি রফতানি করতে পারবে।
সচিব জানান, কোরিয়া এবং মালয়েশিয়ার পর এবার মাত্র ২০ হাজার টাকা খরচ করে কাতারেও জনশক্তি রফতানি করবে বাংলাদেশ। এবিষয়ে ইতিমধ্যে কাতারের সঙ্গে এমওইউ স্বাক্ষর করা হয়েছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে কাতার সরকার এবিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত তাদের গাইডলাইন দিবে। বাংলাদেশের শ্রমিকদের বেতন সর্বনিম্ন কত হবে? থাকা খাওয়ার খরচ ও আনুষঙ্গিক শর্তাবলী কাতার সরকার নীতিগতভাবে গ্রহণ করেছে বলে জানাগেছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত চাহিদা ও প্রস্তাবনা পওয়া যাবে। এর পরেই কাতারে জনশক্তি নিয়োগের জন্য সারাদেশ থেকে লটারির মাধ্যমে কাতারের জন্য শ্রমিক নির্বাচন করা হবে।
সূত্র আরো জানায় কাতারে বর্তমানে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছে। গতবছরও সেদেশে ২০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক রফতানি করা হয়েছে। গত অর্থ বছরে কাতার থেকে ৩২৫ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। চলতি অর্থ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ মিলিয়ন ডলার। এ অবস্থায় মাত্র ২০ হাজার টাকায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় কাতারে জনশক্তি রফতানি করতে পারলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরো বৃদ্ধি পাবে।
নামমাত্র ব্যয়ে কাতারে অভিবাসনের সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। মাত্র ২০ হাজার টাকায় কাতারে যেতে পারবে বাংলাদেশি শ্রমিকরা। আগামী ৩ মাসের মধ্যে এবিষয়ে বাংলাদেশের প্রস্তাবের অনুস্বাক্ষর করবে কাতার। দক্ষিণ কোরিয়া এবং মালয়েশিয়ার পর 'জি টু জি' প্রক্রিয়ায় তৃতীয় দেশ হিসেবে কাতার বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিবে। এতে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি অভিবাসন ব্যয় কল্পানাতীতভাবে হ্রাস পাবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব জাফর আহমেদ খান গতকাল দৈনিক ডেসটিনিকে জানান, আগামী মাস থেকে 'জি টু জি' প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় যাওয়া শুরু করবে বাংলাদেশি শ্রমিকরা। ইতিমধ্যে তারা প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেছে। পর্যায়ক্রমে মালয়েশিয়ায় ১১ হাজার শ্রমিক যাবে। পরবর্তীতে একই নিয়মে লটারি করে মালয়েশিয়ায় ৫ লাখ কর্ম পাঠানো হবে। সরকারিভাবে জনশক্তি রফতানি সফল হওয়ার পর যথাযথ নীতি মানলে বেসরকারি রিক্রুটিং
এজেন্সিরাও জনশক্তি রফতানি করতে পারবে।
সচিব জানান, কোরিয়া এবং মালয়েশিয়ার পর এবার মাত্র ২০ হাজার টাকা খরচ করে কাতারেও জনশক্তি রফতানি করবে বাংলাদেশ। এবিষয়ে ইতিমধ্যে কাতারের সঙ্গে এমওইউ স্বাক্ষর করা হয়েছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে কাতার সরকার এবিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত তাদের গাইডলাইন দিবে। বাংলাদেশের শ্রমিকদের বেতন সর্বনিম্ন কত হবে? থাকা খাওয়ার খরচ ও আনুষঙ্গিক শর্তাবলী কাতার সরকার নীতিগতভাবে গ্রহণ করেছে বলে জানাগেছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত চাহিদা ও প্রস্তাবনা পওয়া যাবে। এর পরেই কাতারে জনশক্তি নিয়োগের জন্য সারাদেশ থেকে লটারির মাধ্যমে কাতারের জন্য শ্রমিক নির্বাচন করা হবে।
সূত্র আরো জানায় কাতারে বর্তমানে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছে। গতবছরও সেদেশে ২০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক রফতানি করা হয়েছে। গত অর্থ বছরে কাতার থেকে ৩২৫ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। চলতি অর্থ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ মিলিয়ন ডলার। এ অবস্থায় মাত্র ২০ হাজার টাকায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় কাতারে জনশক্তি রফতানি করতে পারলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরো বৃদ্ধি পাবে।
No comments:
Post a Comment